| বঙ্গাব্দ

রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-10-2026 ইং
  • 15454 বার পঠিত
রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন বিজয়
ছবির ক্যাপশন: রাশমিকার পাশে বসেই যে কথা বললেন

‘রণবলী’ প্রচারের ফাঁকে শৈশবের ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন বিজয় ও রাশমিকা

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় তারকা জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা বর্তমানে তাদের আসন্ন সিনেমা ‘রণবলী’র প্রচারে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিনেমার প্রচারের ফাঁকেই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেদের শৈশবের নানান স্মৃতির কথা ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন এই তারকা দম্পতি। যেখানে উঠে এসেছে বিজয়ের হোস্টেল জীবনের নানা মজার ও কৌতূহলোদ্দীপক গল্প এবং রাশমিকার ভাষা নিয়ে সংগ্রামের দিনগুলোর কথা।

ছেলেদের হোস্টেলে কেটেছে বিজয়ের শৈশব

বিজয় দেবেরাকোন্ডা জানান, তার জীবনের একটা লম্বা সময় কেটেছে আবাসিক স্কুলে। জন্ম হায়দরাবাদে হলেও মাত্র ছয় বছর বয়সে তাকে অন্ধ্রপ্রদেশের একটি কড়া নিয়মের আবাসিক স্কুলে পাঠানো হয়, যেখানে ছিল শুধু ছেলেদের হোস্টেল। ৬ থেকে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত—প্রায় এক দশক সেখানেই বড় হন তিনি।

বছরজুড়ে কড়া নিয়মের বেড়াজালে থাকা বিজয়ের হোস্টেল জীবন সম্পর্কে বলেন, বছরে প্রায় ১০ মাস স্কুলেই থাকতে হতো, আর পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ মিলত মাত্র দুই মাস। নারী শিক্ষক ছাড়া সেখানে অন্য কোনো নারীর দেখা পাওয়ার উপায় ছিল না। দীর্ঘ সময় মেয়েদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না থাকায় একসময় মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে রীতিমতো ভয় পেতেন তিনি।

স্কুল জীবন শেষে যখন তিনি হায়দরাবাদে ফিরে আসেন, তখন তার বয়স বয়োসন্ধিকাল। স্বভাবতই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হলেও তাদের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়, তা তার জানা ছিল না। বিজয় মজার ছলে জানান, বাসে বা অন্য কোথাও মেয়েরা কথা বলতে এলে তিনি ভয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকতেন! পরবর্তীতে কলেজে ওঠার পর নিজের এই জড়তা ও ভয় কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তিনি এবং বিকম পড়ার সময় নিজেই প্রথম এক সুন্দরীর সঙ্গে গিয়ে কথা বলেন।

রাশমিকার ছোটবেলার ভাষা সংকট

বিজয়ের অভিজ্ঞতার একেবারে বিপরীত ছিল অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার ছোটবেলা। তার শৈশবের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ভাষা বা ইংরেজি উচ্চারণ। ছোটবেলায় কুর্গের স্কুলে পড়ার সময় হঠাৎ করেই তাকে ইংরেজিতে কথা বলতে বলা হলে তিনি পুরোপুরি থমকে যেতেন এবং চুপ করে থাকতেন। কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলেই তিনি উত্তর দিতে পারতেন না।

পরবর্তীতে অভিনয় জগতে পা রাখার পরও তাকে ভাষা ও উচ্চারণ নিয়ে নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে রাশমিকা জানিয়েছেন, এ ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য এখন আর তাকে বিশেষ অবাক করে না। অতীতের সেই সংগ্রাম পেরিয়ে আজ তারা দুজনেই দক্ষিণি সিনেমার শীর্ষ তারকা হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency