নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হ্রদ উপচে ফের প্লাবন: ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদে ছুটছে মানুষ
নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত এলাকার পাহাড়ি হিমবাহ হ্রদ (গ্লেসিয়াল লেক) উপচে আকস্মিক নতুন প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টি ও হিমবাহ গলার ফলে হ্রদের পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে সমতলে আছড়ে পড়ায় তিব্বতের সীমান্ত সংলগ্ন অংশ এবং নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আজ সকালে হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে পানি নামতে শুরু করলে নিম্নাঞ্চলের লোকালয় মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে এবং জীবন বাঁচাতে ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু ফেলে নিরাপদ উঁচু স্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটছেন হাজার হাজার অধিবাসী।
হ্রদ উপচে পড়ার কারণ ও আকস্মিক প্লাবন
আবহাওয়া দপ্তর ও ভূতাত্ত্বিকদের মতে, টানা বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হিমবাহের গলে যাওয়া পানি হ্রদে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত জমা হয়েছিল।
বাঁধ ভেঙে জলচ্ছ্বাস: পানি ধারণক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় পাহাড়ি হ্রদের প্রাকৃতিক সীমানা বা বরফের বাঁধ ভেঙে বিপুল পরিমাণ পানি একসাথে নিচে নেমে আসে।
লোকালয় প্লাবিত: নদীর পানির সমতল মুহূর্তের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়ে তীরবর্তী গ্রাম, বাজার ও অস্থায়ী বাসস্থানগুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন: প্লাবনের পানির তীব্র তোড়ে সীমান্তবর্তী সড়ক ও কয়েকটি কাঠের সেতু ভেসে গিয়ে অনেক এলাকা সড়ক যোগাযোগহীন হয়ে পড়েছে।
জনসাধারণের স্থানান্তর ও উদ্ধার তৎপরতা
সীমান্তের উভয় পারেই উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে জরুরি তৎপরতা চালাচ্ছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |