এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ: হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টির অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান”
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, “এদেশে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করার জন্য একটি অপশক্তি ফাঁদ পেতে আছে। আমরা যেন সেই ফাঁদে পা না দেই।” তিনি আরও বলেন, “তারা হিন্দু-মুসলিমের মাঝে সংঘর্ষ লাগানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "গত দুই বছর আগে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা লাগানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা দেখেছি, বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা লাগানোর চেষ্টা হয়েছে। গত বছর দুর্গাপূজার আগে অনেক ভয়-ভীতি দেখানো হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। এবারও একটি অপশক্তি অনেক চেষ্টা করেছে, তবে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে।"
তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর মুসলিম ভাইয়েরা মন্দির পাহারা দিয়েছেন। এটাই হচ্ছে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আপনার সম্প্রদায় এবং আমার সম্প্রদায় বিশ্বাসগতভাবে আলাদা থাকতে পারে; কিন্তু সম্প্রীতির জায়গায় আমরা এক আছি।” তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কোনোভাবেই যেন এই সম্প্রীতির জায়গায় অপশক্তি কোনো চির ধরাতে না পারে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, "আমাদের সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং সব ক্ষেত্রে একটি ঐক্য থাকতে হবে।" তিনি বলেন, “ইতিহাসের আবহমানকাল থেকে আমরা একটি সম্প্রীতি বজায় রেখে চলেছি। এই সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, এবং এর মধ্যে বিভাজন তৈরি করার জন্য সব সময় একটি অপরাজনীতি করা হয়েছে। হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে যদি সংঘর্ষ লাগানো যায়, তাহলে একটি পক্ষ রাজনৈতিক ফায়দা লুটে নিতে পারবে।”
এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তীতে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |