ফিলিস্তিনে গাজা ধ্বংসের জন্য ইসরায়েলের অত্যাধুনিক বোমা হামলা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, গাজা ধ্বংস করার জন্য ইসরায়েল এমন বোমা হামলা চালিয়েছে, যা হিরোশিমার চেয়ে ছয়গুণ বেশি শক্তিশালী। তিনি দাবি করেন, গাজা ধ্বংস করতে ৮৫ হাজার টন বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে সহায়তাকারী অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে। ফিলিস্তিনের গাজা অঞ্চলের উপর ইসরায়েলের এই হামলার জন্য ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন এবং গণহত্যার অভিযোগ তোলেন।
ফ্রান্সেসকা আলবানিজ ফিলিস্তিন নিয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে এক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেছেন, যেখানে তিনি ইসরায়েলের হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, "গাজা ধ্বংস করতে ইসরায়েল প্রায় ৮৫ হাজার টন বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে যা হিরোশিমার চেয়ে ছয়গুণ শক্তিশালী," এবং এই পরিস্থিতি নিয়ে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অস্ত্র প্রস্তুতকারী কোম্পানি লাভবান হয়েছে।
তিনি ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যা এবং ইসরায়েলি সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সের সংযোগ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ৪৮টি করপোরেট প্রতিষ্ঠান, যেমন অস্ত্র প্রস্তুতকারক, ব্যাংক, প্রযুক্তি কোম্পানি, এবং জ্বালানি জায়ান্ট ইসরায়েলের গণহত্যার কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছে। এর মাধ্যমে দখলদারিত্বের অর্থনীতি চলছে যা পুরোপুরি আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী।
ফ্রান্সেসকা আলবানিজ জানান, এখন আর তিনি অজ্ঞতা বা আদর্শগত কারণ দিয়ে গণহত্যা ব্যাখ্যা করার পক্ষে নন। তিনি বলেন, "এটা এতই দৃশ্যমান, এতই সরাসরি সম্প্রচারিত, যে এত নিষ্ক্রিয়তা অসম্পূর্ণ"। তিনি বিশ্বের সকল দেশ ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে ইসরায়েলের সঙ্গে সমস্ত ব্যবসায়িক সম্পর্ক বন্ধ করার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং বাণিজ্য চুক্তি এবং বিনিয়োগ সম্পর্ক স্থগিত করার দাবি জানান। এর মাধ্যমে তিনি ইসরায়েলের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা কার্যকর করার আহ্বান জানান।
তিনি নাগরিক সমাজ, ট্রেড ইউনিয়ন, আইনজীবী, এবং সরকারগুলোকে বয়কট, নিষেধাজ্ঞা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে মানবাধিকার কাউন্সিলে তার বক্তব্য শেষ করেন।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |