জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব শেখ আখতার হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে না থাকলেও তার ‘চাঁদাবাজি ও দখল সংস্কৃতি’ এখনো বিদ্যমান।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন— “যেভাবে জনগণ হাসিনাকে বিদায় করেছে, সেভাবেই তার দখলবাজ সিস্টেমকেও বিদায় দেবে।”
🗓️ ১২ জুলাই, জাতীয় নাগরিক পার্টির “দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা” কর্মসূচির ১২তম দিনে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারে পথসভাতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেখ আখতার বলেন:
“ঢাকায় পাথর মেরে মানুষ হত্যা করা হয়েছে চাঁদার জন্য। রামপালেও চলছে ঘের দখল। পুরোনো নেতাদের পালিয়ে থাকলেও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী এখনো সক্রিয়। বাংলাদেশে যদি কেউ দখল, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কমিশনখোর রাজনীতি করতে চায়, তাহলে মানুষ তাদেরও বিদায় জানাবে।”
তিনি আরও বলেন—
“রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নামে জলবায়ু সংকট তৈরি করা হয়েছে, আর মোংলা বন্দর নিয়ে চলছে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র।”
সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে গণতন্ত্র সম্ভব নয়— এ কথাটি বারবার উচ্চারণ করেছেন এনসিপি নেতারা।
আখতার বলেন:
“শুধু নির্বাচন হলেই সব হবে না। পুলিশ, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন— সবখানে আগে সংস্কার দরকার। না হলে আবারও পুরনো চক্র ক্ষমতায় আসবে। হাসিনাও এমনটাই ভাবতেন— নির্বাচনের নামে শোডাউন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা যায়। সেটা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।”
দলের মুখ্য সংগঠক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন:
“রাজপথে লড়াই শুরু হয়ে গেছে। এসি রুমে বসে যারা বলেন ‘মানুষ কিছুই বোঝে না’, আমরা তাদের হুঁশিয়ারি দিচ্ছি— সময় বদলেছে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। নতুন খেলা খেলতে হবে, পুরাতন বন্দোবস্তের সাথে আমরা নেই।”
তিনি আরও যোগ করেন—
“যারা চাঁদাবাজি, দখল ও দুর্নীতির রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়— তাদের আমরা লাল কার্ড দেখাব।”
নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী (মুখ্য সমন্বয়ক)
হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক)
সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক)
নাহিদ ইসলাম (আহ্বায়ক)
আরিফুল ইসলাম আদিব, সামান্তা শারমিন, তাসনিম জারা, নাহিদা সারওয়ার নিভা,
আব্দুল হান্নান মাসুদ, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ড. মাহমুদা মিতু,
মোল্যা রহমাতুল্লাহ, তাজনুভা জাবিন,
সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার, মো. শফিউল্লাহ, আবিদ আহমেদ,
লাবীব আহমেদ, আল আমিন খান সুমন, অ্যাড. আল আমিন, অ্যাড. জান্নাতুল বাকি
সহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।
জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনীতিতে সংস্কার, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ এবং সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের দাবিকে জাতীয় আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
এই কর্মসূচি শুধু ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরোনো রাজনৈতিক ধারা ও সংস্কৃতি বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চায়— যেখানে মূল লক্ষ্য জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করা।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |