সাংবাদিক এম এ আজিজ নতুন বাংলাদেশ দিবস নিয়ে সরকারের সরে আসা সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন:
"রাষ্ট্র কোনো এনজিও বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান না, যে ভুল করে আবার ঠিক করে ফেলবে। এখানে আপনাকে আগেই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।"
এই বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, একটি রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে একক সিদ্ধান্ত বা হঠাৎ ঘোষণা রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে।
এম এ আজিজ প্রশ্ন তোলেন:
“নতুন বাংলাদেশ কী করে ঘোষণা দিতে চান? একটি অভ্যুত্থান হয়েছে, একটি সরকার পালিয়েছে—এই জন্য ৭১, ৫২, ৯০ বাদ দিবেন?”
এখানে তার যুক্তি হলো, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস একদিনে গড়ে ওঠেনি। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্রের আন্দোলন—এইসব সংগ্রাম বাদ দিয়ে নতুন কোনো “দিবস” ঘোষণা করলে সেটি ঐতিহাসিক অসম্মান ও বিভ্রান্তি তৈরি করে।
এম এ আজিজের কথায়:
“সরকার সরে আসছে মানে সমঝোতা না, মানে তারা ভুল করেছে।”
তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকার যখন সিদ্ধান্ত বদলায়, তা সমঝোতা নয় বরং ভুল সিদ্ধান্তের প্রতিফলন।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন:
“সরকার একটি কালেক্টিভ ফোর্স। এর ভেতরে সংস্থা আছে, মেকানিজম আছে। যদি সরকার এত বড় একটি সিদ্ধান্ত নেয় এবং পরে সরে আসে, তবে সেটি সরকারের পরিকল্পনারই ব্যর্থতা।”
এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট: রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি সিদ্ধান্ত গবেষণা, সংলাপ, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয় ঐকমত্য অনুসারে হতে হয়।
| বিষয় | বিশ্লেষণ |
|---|---|
| ঘোষণা | ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ৫ আগস্টে পালনের পরিকল্পনা করা হয় |
| বিতর্ক | এটি ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০-এর মতো জাতির স্তম্ভ ঘটনাগুলিকে ছাপিয়ে নতুন ভিত্তি তৈরি করার চেষ্টা |
| সমালোচনা | রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে গঠনমূলক আলোচনা না করে একতরফা পদক্ষেপ |
| ফলাফল | সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে, জনরোষ ও সমালোচনার মুখে |
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |