জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ১৮ মার্চ থেকে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে
চলতি মাসের ১৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এক বিশেষ উদ্যোগ, যেখানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এই উদ্যোগের আওতায়, ফাউন্ডেশন জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং আহত পরিবারের সদস্যদের পাশে সহানুভূতি ও সহায়তা প্রদান করবে। রোববার (১৬ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৮ মার্চ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যোদ্ধাদের ইফতার পাঠানো হবে। সেসব যোদ্ধারা যারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তাদের ঈদ উপলক্ষে ফাউন্ডেশন সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে চায়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আহত যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও সহানুভূতি জানানো হবে।
১৮ মার্চ ঢাকায় আহত যোদ্ধাদের ইফতার পাঠানোর পর, ১৯ মার্চ থেকে সারাদেশে যেসব আহত যোদ্ধা আছেন তাদেরও ইফতার পাঠানো হবে। ফাউন্ডেশনটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, তারা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আহত যোদ্ধাদের ইফতার সরবরাহ করবে।
এছাড়া, শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য ঈদ উপহার পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, "জুলাই আন্দোলনে শহীদ যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" শহীদ পরিবারগুলোকে ঈদের সময় একে অপরের পাশে থাকার অনুভূতি দিতে ফাউন্ডেশনটি তাদেরকে বিশেষ উপহার পাঠাবে।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শহীদ এবং আহত পরিবারের সদস্যদের মানবিক সহায়তা ও সহযোগিতা প্রদানে আমাদের দায়িত্ব পালন করতে চাই। জুলাই আন্দোলনে যারা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাতে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।"
ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, এই ধরনের উদ্যোগগুলো শুধু তাদের জন্যই সহায়তা নয়, বরং আমাদের জাতির ইতিহাস ও সংগ্রামের প্রতি সম্মান প্রদর্শন।"
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে সহানুভূতি ও সহযোগিতা ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করে আসছে। তাদের এই নতুন উদ্যোগ, যা শহীদ ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি তাদের অবিচল দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করছে।
ফাউন্ডেশনের সদস্যরা আশা করছেন, এই উদ্যোগটি শুধু শহীদ ও আহত পরিবারের জন্যই একটি সহানুভূতির বার্তা হয়ে থাকবে না, বরং সামগ্রিকভাবে দেশের জনগণের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় করবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |