টানেলের প্রবেশমুখ বিশাল পাথরের স্তূপ ও কাদা-মাটিতে আটকে যাওয়ায় সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল ভারী ড্রিলিং মেশিন ও বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করে টানেলের ভেতরের বায়ুমণ্ডল ও জীবিতদের অবস্থান নিশ্চিত করে।
পরে একটি ছোট পাইপের মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেতরে অক্সিজেন, পানীয় জল ও তরল খাবার সরবরাহ করা হয়। এই যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করেই উদ্ধারকারীরা শ্রমিকদের মনোবল টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হন।
উদ্ধারপ্রাপ্তদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা
উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিককে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে নিকটস্থ আধুনিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় আলো ও পর্যাপ্ত খাবারের বাইরে থাকলেও তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তবে দীর্ঘ দিন চরম ভীতি ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকার কারণে চিকিৎসকরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখছেন। উভয় শ্রমিক সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ দেখাচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে।
সফল উদ্ধার অভিযানের মূল পদক্ষেপসমূহ
দ্রুত সেন্সর ট্র্যাকিং: বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলের ভেতরের জীবন সংকেত শনাক্তকরণ।
জরুরি রুট তৈরি: স্টিলের পাইপ ড্রিল করে অক্সিজেন ও স্যালাইন সমৃদ্ধ তরল খাবার পৌঁছানো।
যৌথ টিম ওয়ার্ক: নেপাল সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় অভিজ্ঞ খনি বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টা।
এক নজরে টানেল উদ্ধার ঘটনা
| বিষয় | বিবরণ |
| ঘটনা | নির্মাণাধীন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল ধসে আটকে পড়া |
| আটকে থাকার সময় | টানা ৯ দিন (প্রায় ২১৬ ঘণ্টা) |
| উদ্ধারকারী দল | নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থা |
| বর্তমান অবস্থা | জীবিত উদ্ধার ও হাসপাতালে নিবিড় চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ |
প্রকল্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
উদ্ধার অভিযান সফল হলেও পাহাড়ি এলাকায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পরিবেশবিদ ও স্থানীয় প্রকৌশলীরা বলছেন, ভূতাত্ত্বিকভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোতে জরুরি বহির্গমন পথ (Emergency Escape Tunnel) ও কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |