তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আপিলের রায় ২০ নভেম্বর, নির্বাচন নিয়ে দ্বন্দ্ব ও জামায়াতের অবস্থান
প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশের আইনজীবীরা আশা প্রকাশ করছেন যে, ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল হবে। আপিল বিভাগের রায় ঘোষণার পর, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে আইনজীবীরা মন্তব্য করছেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরানোর পরও নির্বাচন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) জামায়াতে ইসলামীর পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সম্ভব নয়, কারণ সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা বলা আছে, কিন্তু বর্তমানে সংসদ নেই। সংসদ ভেঙে গেছে এক বছরের বেশি সময় আগে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করছি, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে। আমরা সব আবেদনকারী আপিল বিভাগে এর পরের নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে চেয়েছি।”
শিশির মনির আরও উল্লেখ করেন, “যারা দাবি করছেন একদিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন হবে, কীভাবে হবে? বাংলাদেশের সব সংবিধান বিশেষজ্ঞ একমত, জুলাই জাতীয় সনদে ৪৮টি বিষয়ে সংবিধানের অনেক সংস্কার হয়েছে– যেমন, দলের প্রধান ও সরকারের প্রধান এক থাকবে না, সাংবিধানিক পদগুলোতে পৃথক নিয়োগ কর্তৃপক্ষ হবে, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট প্রভৃতিসহ যা যা সংশোধন হয়েছে। গণভোট যদি আইনি ভিত্তি না হয়, তাহলে কীসের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন হবে?”
তিনি বলেন, “এ সরকারকে হাইকোর্টের আর্টিকেল ১০৬-এর মধ্য দিয়ে রেফারেন্স সহকারে সরকারের বৈধতার কথা অনেকে বলেছেন, কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান বিশেষজ্ঞরাও ১০৬ সম্পর্কে আইনের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। ফলে একমাত্র গণভোটের মধ্য দিয়েই জাতির আকাঙ্ক্ষা পূরণের যত সংস্কার হয়েছে, তার আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব।”
জামায়াতে ইসলামী'র সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “এই সরকারের নাশকতা পরিকল্পনা চলছে। নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন সম্ভব নয়। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের সময় জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আইনি ভিত্তি দেওয়া হবে।”
এদিকে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানোর জন্য আপিলের শুনানি শেষ হওয়ার পর আগামী ২০ নভেম্বর রায় ঘোষণা করবে আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক মামলার রায়ের দিন ঠিক করেছেন।
“তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনার রায় ২০ নভেম্বর”. যুগান্তর
“শিশির মনির: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনি ভিত্তি নিয়ে মন্তব্য”. প্রথম আলো
“জামায়াতের পক্ষ থেকে শিশির মনিরের বক্তব্য”. বিডি নিউজ ২৪
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |