স্পোর্টস ডেস্ক | জুলাই ২০২৫
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সের হয়ে হ্যাটট্রিক করা কিলিয়ান এমবাপ্পে এবার আলোচনায় এসেছেন মাঠের পারফরম্যান্স নয়, বরং একটি আইনি জটিলতার কারণে। ফরাসি কর বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে এমবাপ্পের দেওয়া একটি আর্থিক অনুদান নিয়ে, যা তিনি বিশ্বকাপ চলাকালে দলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিয়েছিলেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম 'মুন্দো দেপোর্তিভো' এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এমবাপ্পে বিশ্বকাপে ফ্রান্স দলের সঙ্গে থাকা পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তাকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৩০০ ইউরো অনুদান দেন।
এই অর্থ ছিল কৃতজ্ঞতা প্রকাশের নিদর্শন—তাদের নিরাপত্তাব্যবস্থায় সহযোগিতার জন্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
চারজন পুলিশ সদস্য পেয়েছেন ৩০ হাজার ইউরো করে,
এবং তাদের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা পেয়েছেন ৬০ হাজার ৩০০ ইউরো।
এমবাপ্পে জানিয়েছেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাপ্রসূত এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ। এমনকি শুধু পুলিশ নয়, বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনকেও তিনি এই সময় অর্থ সহায়তা দেন।
তবে এখানেই তৈরি হয়েছে সমস্যা। কর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন তদন্ত করে দেখা হচ্ছে—এই অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টি করপত্রে যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল কিনা।
বিশেষত, এত বড় অঙ্কের অর্থ হস্তান্তর নিয়ে আয়কর বিধিমালা যথাযথভাবে মানা হয়েছে কি না, সেটি যাচাই করছে ফরাসি রাজস্ব বিভাগ।
এই তদন্তে আপাতত পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত থাকলেও, এমবাপ্পেকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের “উপহার সংস্কৃতি” এবং রাষ্ট্রীয় কর আইনের মধ্যে একটি সীমানা নির্ধারণের ইঙ্গিত হতে পারে।
অনেকেই মনে করছেন, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত অর্থে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও, কর আইনের কাঠামো ভাঙলে তা অপরাধ হিসেবেই বিবেচিত হয়।
এমবাপ্পের প্রতিনিধি দল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে—
“কিলিয়ান সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং সম্মানের জায়গা থেকে ওই অর্থ প্রদান করেছেন। তার উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের (পুলিশ সদস্যদের) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, কোনো লুকোচুরি নয়।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এমবাপ্পে নিয়মিতই সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত থাকেন এবং এই দানও ছিল সে রকম একটি সদিচ্ছার অংশ।
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |