| বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সবচেয়ে আতঙ্কিত, মব সন্ত্রাসে অস্থিরতা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 05-07-2025 ইং
  • 8798960 বার পঠিত
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সবচেয়ে আতঙ্কিত, মব সন্ত্রাসে অস্থিরতা
ছবির ক্যাপশন: গোলাম মাওলা রনি

বাংলাদেশে মব আতঙ্ক ও রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা: গোলাম মাওলা রনির উদ্বেগ

সম্প্রতি বাংলাদেশে মব আতঙ্ক বা জনতার রোষানলে কাউকে আক্রমণ বা হত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রতি একটি গভীর সংকেত। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু এই পরিস্থিতিতে চুপচাপ ও অস্থির অবস্থায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি।

রাষ্ট্রপতির অবস্থা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি

গোলাম মাওলা রনি তার এক মন্তব্যে বলেন, "বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে অসহায়, ভীত-সন্ত্রস্ত এবং আতঙ্কিত মানুষটির নাম হলো সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।" তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি এখন রাষ্ট্রযন্ত্রে সবচেয়ে কর্মহীন ব্যক্তি, যাকে রাষ্ট্রের কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করা হচ্ছে না, অথচ রাষ্ট্র তার পিছনে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করছে।

রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা

রনি প্রশ্ন তুলেছেন, "এতকিছুর পরও রাষ্ট্রপতি কি স্বাধীন? তিনি কি নিজের ইচ্ছামতো শারীরিক পরীক্ষার জন্য বিদেশ যেতে পারেন? এটা মনে হচ্ছে না।" তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাইড অ্যান্ড প্রেস্টিজিয়াস ভবন, বঙ্গভবন, যেখানে রাষ্ট্রপতি বসবাস করেন, সেখানে এমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বিশেষ সিকিউরিটি বাহিনী সম্পর্কে রনি বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ বাহিনী রয়েছে, তবে পিজিআর (প্রেসিডেনশিয়াল গার্ড রেজিমেন্ট) এর শক্তি সবচেয়ে বেশি। এটি অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সজ্জিত, যা বিদেশি অতিথিদের নিরাপত্তা প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।"

মব আতঙ্কের ভয়াবহতা

রনি আরও বলেন, "যতটা জানি, পিজিআর বাহিনীর প্রধান একমাত্র রাষ্ট্রপতির নির্দেশে কাজ করেন। তিনি যেকোনো কাজ বা কর্ম করতে পারেন এবং তিনি কোনো বাহিনীর প্রধানের নির্দেশ মানেন না। এর মধ্যে মব সন্ত্রাসের ভয়ে বঙ্গভবনে এই আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।"

বঙ্গভবনে আক্রমণের শঙ্কা

এছাড়া, মব সন্ত্রাস এবং বঙ্গভবন আক্রমণ সংক্রান্ত স্লোগান প্রসঙ্গে রনি বলেন, "বঙ্গভবন ভেঙে ফেলা হবে, এসব স্লোগান শুনে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১০ মাসে মব সন্ত্রাসের যে ভয়ঙ্কর রূপ বাংলাদেশ দেখেছে, তাতে এটি শোভনীয় নয়।"

ক্ষমতাসীনদের প্রতি আহ্বান

রনি সতর্ক করে বলেন, "যারা এখন ক্ষমতায় আছেন, তাদের এই পরিস্থিতি সুরাহা করা উচিত।" মব সন্ত্রাসের এই ভয়াবহতা যদি চলতে থাকে, তাহলে দেশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

উপসংহার

গোলাম মাওলা রনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মব সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তাহীনতার অবস্থা দেশের জন্য অশনি সংকেত। এখন সময় এসেছে ক্ষমতাসীনদের জন্য এই সমস্যার সমাধান করতে, যাতে দেশের শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency