| বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির আলোচনায় না ইরান, বলছে ‘আগে প্রতিশোধ নিতে হবে’

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 16-06-2025 ইং
  • 4858197 বার পঠিত
যুদ্ধবিরতির আলোচনায় না ইরান, বলছে ‘আগে প্রতিশোধ নিতে হবে’
ছবির ক্যাপশন: যুদ্ধবিরতির আলোচনায় না ইরান,

‘প্রতিশোধ ছাড়া আলোচনায় বসবো না’ — যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ইরানের স্পষ্ট না

বাংলাদেশ প্রতিদিন ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মাঝে যুদ্ধবিরতির কোনো আলোচনা করতে রাজি নয় ইরান। দেশটি জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রথম হামলার পূর্ণ প্রতিশোধ না নেওয়া পর্যন্ত তারা কোনো শান্তি আলোচনা বা যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে না।
রয়টার্স-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা বার্তা

রবিবার (১৫ জুন) রাতে ইরান মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান এবং কাতারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে,

“ইসরায়েল যখন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন কোনো যুদ্ধবিরতির আলোচনায় আগ্রহ নেই। আগে প্রতিশোধ, পরে আলোচনা।”

রয়টার্সকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনৈতিক কর্মকর্তা বলেন,

“ইরানিরা পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব না দেওয়া পর্যন্ত সত্যিকারের যুদ্ধবিরতির কোনো আলোচনা হবে না।”

‘মিথ্যা প্রচারণা করছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম’ — ইরানের দাবি

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো এর আগে দাবি করেছিল, ইরান নাকি কাতার ও ওমানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু ইরানি সূত্র তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান,

“এটি ইসরায়েলের পরিকল্পিত প্রচারণার অংশ, যেন তারা নিজেদের প্রতিরক্ষার নামে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করতে পারে।”

কূটনৈতিক স্তরে সঙ্কট আরও গভীর

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে— ইরান এখন প্রতিরক্ষামূলক নয়, বরং আক্রমণাত্মক অবস্থানে।
যুদ্ধবিরতির পূর্বশর্ত হিসেবে ‘প্রতিশোধ’ দাবি একটি কূটনৈতিকভাবে সাহসী এবং বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে ওমান ও কাতার—এই দুই দেশই ঐতিহ্যগতভাবে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু এবার ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি তাদের বার্তা দেওয়া কূটনৈতিক সমীকরণকেও জটিল করে তুলছে।

বিশ্ব প্রতিক্রিয়া: উদ্বেগ বাড়ছে, সমাধানের পথ অন্ধকার

জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সূত্রে জানানো হয়েছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সমন্বিত জবাব প্রস্তুত রাখছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধ শুরু হয় এবং যুদ্ধবিরতির সুযোগ না থাকে, তবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ মানবিক ও নিরাপত্তা সঙ্কটে পড়তে পারে।

উপসংহার: প্রতিশোধ না হলে শান্তি নয় — ইরানের কড়া বার্তা

বর্তমানে ইরান এমন একটি অবস্থানে রয়েছে যেখানে তারা প্রতিটি কূটনৈতিক সংলাপকে "অপারেশনাল কন্ডিশন"-এর মাধ্যমে পরিচালনা করতে চায়। অর্থাৎ, প্রতিক্রিয়া আগে, শান্তি পরে।

এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে —
👉 এই প্রতিশোধ কবে হবে? কতটা বড় আকারে হবে?
👉 এবং তখনও কি যুদ্ধবিরতির কোনো সুযোগ থাকবে?


🔴 বাংলাদেশ প্রতিদিন থেকে সর্বশেষ আপডেট জানতে ভিজিট করুন বাংলাদেশ প্রতিদিন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency