ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের টেলিফোনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
সোমবার (৫ মে) ঢাকায় অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এই ফোনালাপের তথ্য নিশ্চিত করে।
ফোনালাপে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দক্ষিণ এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতের কিছু 'একতরফা ও অপ্রমাণিত' পদক্ষেপের কারণে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের ভিত্তিহীন অভিযোগ, সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করা, এবং অন্যান্য একতরফা পদক্ষেপ এই উত্তেজনার মূল কারণ।
পাকিস্তান হাইকমিশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসহাক দার ফোনালাপে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে এই পরিস্থিতির পূর্ণ ব্যাখ্যা দেন এবং পাকিস্তানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই নয়, বরং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলছে।
এই আলোচনার সময় উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর ও অর্থবহ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখা এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতা জোরদারের ব্যাপারেও সম্মত হন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যেখানে দুই মুসলিমপ্রধান রাষ্ট্র পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করতে আগ্রহী বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।
এদিকে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক তৎপরতা দেশটির আঞ্চলিক কৌশলের একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান, যা সংযম ও শান্তিপূর্ণ আলোচনার পক্ষে, তা আন্তর্জাতিক মহলে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |