প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
কুমিল্লার চাঞ্চল্যকর জান্নাতুম তাজমীন হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ও সিএনজি চালক সুমনকে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক চৌকস দল মাঠে কাজ করছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) রাতে প্রধান সন্দেহভাজন সুমনের দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাজমীনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার বিকালেই সুমনকে কুমিল্লায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ ও ডিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেছেন এবং আশপাশের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছেন। নিহত তাজমীনের মায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তার এক বান্ধবীসহ অন্যান্য সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ওপরও কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য কাউকেও দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস সিএনজিচালক সুমনকে গ্রেফতারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, “এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন সিএনজিচালক সুমনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার দেওয়া বিভিন্ন তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, আমরা তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি।”
উল্লেখ্য, একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বর্তমানে শোক ও কান্নায় স্তব্ধ তাজমীনের পরিবার। ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী ও স্বজনদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন করা হবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |