রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে কেবল অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী শান্তিচুক্তির ওপর জোর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এই অবস্থান জানান।
বৈঠক স্থায়ী হয় দেড় ঘণ্টা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন—
যুদ্ধবিরতি তাৎক্ষণিক সহিংসতা কমাতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শান্তিচুক্তি ছাড়া যুদ্ধ থামবে না।
“যুদ্ধবিরতিকে আমি সমর্থন করি, কারণ এতে হত্যা কমে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন একটি স্থায়ী সমাধান।”
তিনি ইঙ্গিত দেন, নিকট ভবিষ্যতেই এমন একটি চুক্তি সম্ভব হতে পারে।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎস (Frederick Merz) ভিন্নমত পোষণ করেন।
তিনি বলেন, শান্তি আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি অপরিহার্য।
“আমি কল্পনাও করতে পারি না যে যুদ্ধবিরতি ছাড়া কোনো পরবর্তী বৈঠক হবে। এজন্য রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে হবে।”
ট্রাম্প–জেলেনস্কি বৈঠকের পরপরই যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধানসহ ইইউ ও ন্যাটোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ট্রাম্প।
বৈঠকে ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ যুদ্ধ–কৌশল ও শান্তিচুক্তি প্রসঙ্গে আলোচনা হয়।
জেলেনস্কিও সেখানে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
১. যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিবর্তন: বাইডেন প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প অনেক বেশি জোর দিচ্ছেন আলোচনার মাধ্যমে স্থায়ী চুক্তির ওপর।
২. ইউরোপীয় বিভাজন: জার্মানি যুদ্ধবিরতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি শান্তিচুক্তির পথে যেতে চাইছে।
৩. রাশিয়ার ওপর চাপ: ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি ছাড়া আলোচনায় বসা রাশিয়ার জন্য সুবিধাজনক হবে।
৪. গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত: বিশ্লেষকরা বলছেন, এ বৈঠকগুলোই ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে মোড় ঘোরাতে পারে।
হোয়াইট হাউস প্রেস ব্রিফিং (১৮ আগস্ট ২০২৫)
ট্রাম্প–জেলেনস্কি বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক ম্যার্ৎসের বিবৃতি
ইউরোপীয় কূটনৈতিক সূত্র
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |