শেখ হাসিনার সঙ্গে নসরুল হামিদ বিপুর ফোনালাপ ফাঁস: বিএনপি ও জামায়াতের ওপর অগ্নিসংযোগের দায় চাপানোর নির্দেশ”
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে বিভিন্ন সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের দায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ওপর চাপানোর নির্দেশ দেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একটি ফাঁস হওয়া ফোনালাপে এটি উঠে আসে, যা তার সঙ্গে সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর মধ্যে ঘটে। এই ফোনালাপ গত বছরের ২৪ জুলাইয়ের বলে জানা গেছে।
ফোনালাপে, শেখ হাসিনা নসরুল হামিদ বিপুকে জ্বালানি বিল সম্পর্কিত এক আলোচনা শেষে বলেন, "তোমরা যা বলো, শুনো, থোরাসা হাদিয়া দে দো।" হাদিয়া শব্দটি এখানে সাংবাদিকদের 'ম্যানেজ' করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, যা সেদিনের আলোচনায় উল্লেখ করা হয়। এটি গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিএনপি ও জামায়াতের বিরুদ্ধে একটি পত্রিকার প্রচারের ইঙ্গিত দেয়।
শেখ হাসিনার নির্দেশের মাধ্যমে, ফোনালাপে আলোচনা হয় যে, গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগের জন্য বিএনপি এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ঘটনায় তাদের দায় চাপানোর পরিকল্পনা করা হবে। শেখ হাসিনার নির্দেশ অনুসারে, সাংবাদিকদের 'হাদিয়া' দিয়ে বিষয়টি ম্যানেজ করার পরামর্শও দেওয়া হয়।
ফোনালাপে, নসরুল হামিদ বিপু শেখ হাসিনাকে জানান, “২৪ লাখ টাকা একদিনে কাভার করেছি।” হাসিনা তাকে বলেন, “তাহলে এটা নিউজ করো।” বিপু আরও জানান, “আমি সকাল থেকে সমস্ত সাংবাদিক নিয়ে ঢাকা শহর ঘুরে বেড়াচ্ছি, কিন্তু একটাও ছবি ক্যামেরায় আসেনি।” হাসিনা তার জবাবে বলেন, “কই, একবারও তো ক্যামেরায় দেখলাম না।” এরপরে হাসিনা বিপুকে 'হাদিয়া' দেওয়ার পরামর্শ দেন, যা মূলত সাংবাদিকদের 'ম্যানেজ' করার একটি পন্থা হিসেবে দেখা যায়।
এটি একটি চাঞ্চল্যকর ফোনালাপ, যা গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষভাবে, শেখ হাসিনার ফোনালাপে বিএনপি ও জামায়াতের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগের দায় চাপানোর সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |