প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
কাজু ও আখরোটের পাশাপাশি সুস্বাদু কাঠবাদাম বা আমন্ড অনেকেরই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি নিয়মিত পদের নাম। পুষ্টিগুণে ভরপুর ছোট্ট এই বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন, ডায়েটারি ফাইবার, ভিটামিন ‘ই’, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো অতিপ্রয়োজনীয় সব উপাদান। তাই সুষম ও স্বাস্থ্যকর ডায়েটের একটি অপরিহার্য অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে কাঠবাদাম খাওয়া অত্যন্ত উপকারী।
সাধারণত প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিটি মানুষের শরীরের নিজস্ব চাহিদা, বয়স, দৈহিক পরিশ্রম এবং মোট ক্যালোরির প্রয়োজনীয়তা এক রকম নয়। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট করে ২০ থেকে ২৩টি বাদাম খেতেই হবে—এমন কোনো কঠোর নিয়ম নেই। এমনকি এর চেয়ে কম পরিমাণেও নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়া যেতে পারে।
বিশেষ করে যারা নিজেদের ওজন নিয়ন্ত্রণে বা ফ্যাট লসের প্রক্রিয়ায় আছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন খাওয়ার পরিমাণের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। কারণ কাঠবাদামে থাকা ফ্যাট অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর হলেও এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশ ভালোই থাকে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টি: কাঠবাদামে থাকা ভিটামিন ‘ই’ শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে কোষের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
হৃদ্স্বাস্থ্য ও কোলেস্টেরল: এতে থাকা স্বাস্থ্যকর মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ফাইবার এবং খনিজ উপাদান সামগ্রিক কার্ডিওভাসকুলার বা হৃদ্স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে এবং শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় নিয়মিত বাদাম খাওয়ার ইতিবাচক ফলের কথা উঠে এসেছে।
কাঠবাদাম খাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের নানা পছন্দ রয়েছে। অনেকে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খোসা ছাড়িয়ে ভেজানো আমন্ড খেতে পছন্দ করেন, আবার কেউ কাঁচা কিংবা ড্রাই-রোস্টেড কাঠবাদাম চিবিয়ে খেতে ভালোবাসেন।
আসলে কাঠবাদাম ভিজিয়ে খাওয়া বাধ্যতামূলক কোনো নিয়ম নয়। কাঁচা কিংবা অতিরিক্ত তেল-নুন ছাড়া শুকনো খোলায় ভাজা (ড্রাই-রোস্টেড) কাঠবাদামও সমানভাবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর।
অ্যালার্জিজনিত সমস্যা: যাদের বাদামে যেকোনো ধরনের ফুড অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের কাঠবাদাম খাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।
ক্যালোরি সচেতনতা: যারা কঠোর ক্যালোরি চার্ট মেনে চলেন, তাদের পরিমাণ মেপে বাদাম খাওয়া উচিত। কারণ স্বাস্থ্যকর খাবার হওয়া সত্ত্বেও অতিরিক্ত আমন্ড খেলে প্রতিদিনের ক্যালোরি মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |