ফুটপাতে রাত কাটানো থেকে মহাগুরু: মিঠুন চক্রবর্তীর কষ্টের দিনগুলোর রোমাঞ্চকর গল্প
ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের জীবন্ত কিংবদন্তি এবং জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী নিজের প্রাথমিক জীবন ও অভিনয়ের ক্যারিয়ার গড়ার কঠোর লড়াইয়ের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের চরম আর্থিক অনটন, অনাহারে থাকা এবং মুম্বাইয়ের ফুটপাতে রাত কাটানোর মতো হৃদয়বিদারক স্মৃতিকথা তুলে ধরেন। কোনো পরিচিতি ও অর্থকড়ি না থাকায় স্রেফ খাবারের ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নাচ প্রদর্শন এবং মাথার ওপর ছাদ না থাকায় ফুটপাত বা পার্কের বেঞ্চে ঘুমিয়ে কাটানোর সেই কঠিন সংগ্রামের কথা নতুন করে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে।
খাবারের বদলে নাচ ও আশ্রয়হীন দিনগুলো
কলকাতার এক সাধারণ পরিবার থেকে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখার স্বপ্নে মুম্বাই এসে চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল এই অভিনেতাকে।
খাবারের বিনিময়ে পারফর্ম: পেটের ক্ষুধা মেটাতে তিনি এমন অনেক অনুষ্ঠানে নাচতেন, যেখানে কোনো টাকা নয়, বদলে দেওয়া হতো শুধু একবেলার খাবার।
আশ্রয়হীন জীবনযাপন: মাথা গোঁজার মতো ভাড়া বাসা না থাকায় মাসের পর মাস তিনি মুম্বাইয়ের ফুটপাত, পাবলিক পার্কের বেঞ্চ বা বন্ধুর ছোট মেসে দিন কাটিয়েছেন।
আত্মহত্যার চিন্তাও এসেছিল: জীবনের এমন কঠিন ও অনিশ্চিত সময়ে হতাশায় ভেঙে পড়ে একবার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়ার চিন্তাও মাথায় এসেছিল বলে জানান তিনি।
এক নজরে মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন সংগ্রাম
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| ব্যক্তিত্ব | মিঠুন চক্রবর্তী (মহাগুরু) |
| সংগ্রামের সময় | ১৯৭০-এর দশকের প্রথমার্ধ |
| সংগ্রামের স্থান | মুম্বাই, মহারাষ্ট্র (ভারত) |
| মূল চ্যালেঞ্জ | চরম অর্থসংকট, আশ্রয়হীনতা ও পেটের ক্ষুধা |
| টার্নিং পয়েন্ট | মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ও পরবর্তীতে ‘ডিসকো ড্যান্সার’ চলচ্চিত্র |
| সংবাদের তারিখ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
অদম্য ইচ্ছা ও জাতীয় পুরস্কার থেকে সুপারস্টার হওয়ার গল্প
তীব্র মানসিক জোর ও অভিনয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসাকে সম্বল করে একে একে সব বাধা অতিক্রম করেন মিঠুন চক্রবর্তী।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |