| বঙ্গাব্দ

আ. লীগের ‘হিট অ্যান্ড রান’ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-09-2026 ইং
  • 24327 বার পঠিত
আ. লীগের ‘হিট অ্যান্ড রান’ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ
ছবির ক্যাপশন: ফাইল ছবি

আ. লীগের ‘হিট অ্যান্ড রান’ ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষমতাচ্যুত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনীর আকস্মিক ঝটিকা মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো ‘হিট অ্যান্ড রান’ নাশকতামূলক তৎপরতা বন্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আজ এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই কঠোর ব্যবস্থার কথা নিশ্চিত করেছেন। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালানো সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।

কঠোর নজরদারি ও পুলিশের প্রস্তুতি

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও চোরাগোপ্তা হামলা রুখতে পুলিশ ও অন্যান্য যৌথ বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করেছে।

  • ঝটিকা মিছিলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ: পুলিশ জানায়, বিগত দিনগুলোতে ভোর রাতে বা নির্জন স্থানে কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঝটিকা মিছিল করে পালিয়ে যাওয়া এবং পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করার কৌশল নিয়েছে একটি চক্র।

  • সিসিটিভি ও গোয়েন্দা তদারকি: ঢাকার প্রবেশপথ, অলিগলি এবং স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতে ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার আওতা বাড়ানো হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাদা পোশাকে অতিরিক্ত গোয়েন্দা পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার: রাজপথে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথে সিসিটিভি ফুটেজ এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের বিশেষ পদক্ষেপ

রাজধানীর নিরাপত্তা বজায় রাখা ও অপতৎপরতা মোকাবিলায় গৃহীত ব্যবস্থা নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

বিষয়ের বিবরণআইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ ও পরিকল্পনা
মূল লক্ষ্য‘হিট অ্যান্ড রান’ মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও বিশৃঙ্খলা রোখা।
গৃহীত ব্যবস্থাস্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন, ব্লকেড অভিযান ও ঝটিকা তল্লাশি।
প্রযুক্তির ব্যবহারড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি ফুটেজ ও এআই ট্র্যাকিং।

কী পয়েন্ট: জননিরাপত্তা ও আইনি কঠোরতা

পুলিশ সদর দপ্তরের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কোনো ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড বা অরাজকতা বরদাশত করা হবে না। যারা অর্থের বিনিময়ে এসব অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড ঘটাতে রাজপথে নামবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনসাধারণকে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে বা অরাজকতা দেখলে নিকটস্থ থানায় তথ্য জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency