জাতীয় পতাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, অবমাননা রোধ এবং এর যথাযথ মর্যাদা সুরক্ষায় ৩ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিধিমালা ভঙ্গের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনগত শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং জাতীয় প্রতীকের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটিকে সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব ও সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রমিত মাপ ও রঙ যাচাই: বাজারে প্রচলিত এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত পতাকার প্রমিত মাপ, কাপড়ের মান ও রঙের সঠিকতা পর্যবেক্ষণ করা।
অবমাননা প্রতিরোধে আইনি রূপরেখা: বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে জাতীয় পতাকার বিকৃত ব্যবহার বন্ধে সুপারিশ প্রদান।
প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধি: গণমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা বিধিমালার (ফ্ল্যাগ রুলস) সঠিক প্রচার নিশ্চিতের কৌশল নির্ধারণ।
এক নজরে ৩ সদস্যের কমিটির রূপরেখা
গঠনকারী কর্তৃপক্ষ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
কমিটির সদস্য সংখ্যা: ৩ জন (সংশ্লিষ্ট মন্ত্রাণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা)
মূল উদ্দেশ্য: জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা, অবমাননা বন্ধ এবং ফ্ল্যাগ রুলস বাস্তবায়ন
প্রতিবেদন জমার সময়সীমা: আগামী ১৫ কার্যদিবস
ফ্ল্যাগ রুলস লংঘনে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭২ সালের 'জাতীয় পতাকা বিধিমালা' অনুসরণে শিথিলতা দেখা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে ছিঁড়ে যাওয়া, বিবর্ণ হওয়া বা সঠিক মাপবহির্ভূত পতাকা উত্তোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেবে এই গঠিত কমিটি।
সুপারিশ জমা ও পরবর্তী নির্দেশিকা
কমিটি তাদের সার্বিক তদারকি ও অংশীজনদের সাথে আলোচনার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় পতাকার ব্যবহার সংক্রান্ত একটি হালনাগাদ নির্দেশিকা জারি করবে সরকার।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |