| বঙ্গাব্দ

নেপালে অলৌকিক উদ্ধার: জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে ৯ দিন আটকে থাকার পর ২ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 04-09-2026 ইং
  • 28237 বার পঠিত
নেপালে অলৌকিক উদ্ধার: জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে ৯ দিন আটকে থাকার পর ২ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার
ছবির ক্যাপশন: নেপালে অলৌকিক উদ্ধার

নেপালে অলৌকিক উদ্ধার: জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে ৯ দিন আটকে থাকার পর ২ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার

টানেলের প্রবেশমুখ বিশাল পাথরের স্তূপ ও কাদা-মাটিতে আটকে যাওয়ায় সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়ে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল ভারী ড্রিলিং মেশিন ও বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করে টানেলের ভেতরের বায়ুমণ্ডল ও জীবিতদের অবস্থান নিশ্চিত করে।

পরে একটি ছোট পাইপের মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ভেতরে অক্সিজেন, পানীয় জল ও তরল খাবার সরবরাহ করা হয়। এই যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করেই উদ্ধারকারীরা শ্রমিকদের মনোবল টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হন।

উদ্ধারপ্রাপ্তদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা

উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিককে দ্রুত হেলিকপ্টারে করে নিকটস্থ আধুনিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় আলো ও পর্যাপ্ত খাবারের বাইরে থাকলেও তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

তবে দীর্ঘ দিন চরম ভীতি ও মানসিক চাপের মধ্যে থাকার কারণে চিকিৎসকরা তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখছেন। উভয় শ্রমিক সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ দেখাচ্ছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে।

সফল উদ্ধার অভিযানের মূল পদক্ষেপসমূহ

  • দ্রুত সেন্সর ট্র্যাকিং: বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে টানেলের ভেতরের জীবন সংকেত শনাক্তকরণ।

  • জরুরি রুট তৈরি: স্টিলের পাইপ ড্রিল করে অক্সিজেন ও স্যালাইন সমৃদ্ধ তরল খাবার পৌঁছানো।

  • যৌথ টিম ওয়ার্ক: নেপাল সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয় অভিজ্ঞ খনি বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত প্রচেষ্টা।

এক নজরে টানেল উদ্ধার ঘটনা

বিষয়বিবরণ
ঘটনানির্মাণাধীন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল ধসে আটকে পড়া
আটকে থাকার সময়টানা ৯ দিন (প্রায় ২১৬ ঘণ্টা)
উদ্ধারকারী দলনেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ ও স্থানীয় উদ্ধারকারী সংস্থা
বর্তমান অবস্থাজীবিত উদ্ধার ও হাসপাতালে নিবিড় চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ

প্রকল্পের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

উদ্ধার অভিযান সফল হলেও পাহাড়ি এলাকায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পরিবেশবিদ ও স্থানীয় প্রকৌশলীরা বলছেন, ভূতাত্ত্বিকভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোতে জরুরি বহির্গমন পথ (Emergency Escape Tunnel) ও কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

News

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency