নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
লোডশেডিং ও গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন করা হলেও সেটিকে ‘হঠকারিতা’ বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন।
এনসিপি-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ‘ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স’ (ডিজেএ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যেখানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া সাংবাদিকরা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
প্রতিবাদ ও আন্দোলনের অধিকার নিয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে বলা হচ্ছে হঠকারিতা। বলা হচ্ছে, বাস ভাঙচুর আমরা আগের মতো চাই না, রাস্তায় বসে বিক্ষোভ আমরা চাই না। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ কিন্তু বৈধ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পদ্ধতি।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজপথে প্ল্যাকার্ড হাতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করলেই তা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে বাস ভাঙচুরের অভিযোগ এনে গ্রেফতার ও মামলার হুমকি তৈরি করা হচ্ছে। সরকারের জায়গা থেকেই এই ধরনের ন্যারেটিভ বা বয়ান তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
মুক্ত পরিবেশ সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা বর্তমানে দেশে যে মুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে, তাকে ‘আপৎকালীন’ উল্লেখ করে শঙ্কা প্রকাশ করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, “এটা কত দিন থাকবে, আমরা কেউ জানি না। ধীরে ধীরে গণতন্ত্র ও কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে। সেই সংকোচন ঠেকাতে হবে সবাই মিলেই। সাংবাদিকরা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটা প্রচার করলেই যথেষ্ট হয়। আর রাজনৈতিক দল হিসাবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করব।”
এ সময় বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অনেক সাংবাদিককে গণমাধ্যম থেকে অন্যায়ভাবে বের করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে সুপারিশকৃত সাংবাদিকদের সুরক্ষা আইনসহ অন্যান্য ইতিবাচক নীতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান নাহিদ ইসলাম।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছাড়াও মাঠপর্যায়ে জুলাই অভ্যুত্থানের সংবাদ সংগ্রহকারী সাংবাদিকরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় অভ্যুত্থানের পর অনেকের চাকরিচ্যুতি ও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় হতাশার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।
সূত্র: নিজস্ব প্রতিবেদক ও এনসিপি প্রেস উইং
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |