| বঙ্গাব্দ

সাফার গ্রেফতার ও এনআইডি বিতর্ক: এ্যাসেট (ASSET) প্রকল্পের ব্যাখ্যা | ২০২৬

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 04-05-2026 ইং
  • 17870 বার পঠিত
সাফার গ্রেফতার ও এনআইডি বিতর্ক: এ্যাসেট (ASSET) প্রকল্পের ব্যাখ্যা | ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: সাফার গ্রেফতার ও এনআইডি বিতর্ক

সাফার গ্রেফতার প্রসঙ্গে এ্যাসেট (ASSET) প্রকল্পের ব্যাখ্যা: ‘ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে প্রকল্পের নাম জড়ানো অনভিপ্রেত’

বিডিএস নিউজ ডেস্ক | ০৪ মে ২০২৬

ঢাকা: দিনাজপুর মহিলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি জান্নাতুস সাফা শাহীনুরের গ্রেফতার সংক্রান্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET) প্রকল্প কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প পরিচালক সামসুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিবিশেষের ব্যক্তিগত বা পুরনো তথ্যের সঙ্গে এ ধরনের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নাম জড়িয়ে প্রচার করায় সংস্থাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

১. এনআইডি জটিলতা ও তদন্ত

ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, দেশের নারী, অনগ্রসর ও প্রতিবন্ধীসহ যুবসমাজকে এন্টারপ্রাইজ বেজড প্রশিক্ষণ (ইবিটি) প্রদানের লক্ষ্যে দিনাজপুর চেম্বারের সঙ্গে এ্যাসেট প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সাফার এনআইডির সঠিকতা নিয়ে অভিযোগ উঠলে:

  • প্রকল্প দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং সম্পাদিত চুক্তিটি সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়।

  • বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য জানতে চাওয়া হলে জানা যায় যে, জান্নাতুস সাফা শাহীনুর একজন ‘দ্বৈত ভোটার’।

২. নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা ও সমাধান

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দ্বৈত ভোটার সংক্রান্ত কমিশনের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী—কোনো ব্যক্তি দুইবার ভোটার হলে তার প্রথম এনআইডিটি বহাল থাকে এবং দ্বিতীয়টি বাতিল হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী গত বছরের ৬ মার্চ দিনাজপুর উইমেন চেম্বারের পক্ষ থেকে এনআইডির সঠিকতা যাচাইপূর্বক চুক্তি বহাল রাখার আবেদন জানানো হয়।

৩. পুনরায় চুক্তি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম

প্রকল্প দপ্তর সকল তথ্যাদি যাচাই এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে গত বছরের ১০ নভেম্বর পুনরায় দিনাজপুর উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করে। বর্তমানে প্রকল্পটির আওতায় ইবিটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

৪. প্রকল্পের অবস্থান ও লক্ষ্য

সামসুর রহমান খান তার ব্যাখ্যায় বলেন, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের এই সময়ে যুবসমাজকে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে তোলাই এ্যাসেট প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যুগোপযোগী এই প্রকল্পটির নাম ব্যক্তিবিশেষের ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে প্রচার করায় প্রকল্প দপ্তর ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।"


বিশ্লেষকের পর্যবেক্ষণ

যেকোনো বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে অংশীদার সংস্থার প্রধানের ব্যক্তিগত বিতর্ক প্রকল্পের কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এ্যাসেট প্রকল্প কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে এনআইডি সমস্যার সমাধান করে এবং স্বচ্ছতা বজায় রেখে পুনরায় চুক্তি স্বাক্ষর করে পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নামের চেয়ে অপরাধের ব্যক্তিগত দায়কে গুরুত্ব দেওয়া বাঞ্ছনীয়।


তথ্যসূত্র:

  1. অ্যাকসেলারেটিং অ্যান্ড স্ট্রেনদেনিং স্কিলস ফর ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন (ASSET) প্রকল্প দপ্তর।

  2. প্রকল্প পরিচালক সামসুর রহমান খানের স্বাক্ষরিত আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি।

  3. বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (এনআইডি উইং)।


নিউজ ডেস্ক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

সিনিয়র এসইও কনসালট্যান্ট ও ডিজিটাল পাবলিশার

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

ওয়েবসাইট: bdsbulbulahmed.com

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency