সিন্ডিকেট ভাঙার হুঁশিয়ারি: আওয়ামী আমলের সার ও রেশন ডিলার বাতিলের ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর
সংসদ প্রতিবেদক: [BDS Bulbul Ahmed]
তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সার বিতরণ ও রেশনিং ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের ‘ফ্যাসিস্ট’ সিন্ডিকেট এবং কৃত্রিম সংকট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগকৃত বিতর্কিত ডিলারদের নিয়োগ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।
অধিবেশনে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বর্তমান ডিলারদের কারণে কৃষকদের হয়রানি এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “চিফ হুইপ যেটি বলেছেন, আমি খেয়াল করেছি পুরো সংসদ বিষয়টি স্বাগত জানিয়েছে। এ ব্যাপারে যদি পুরো সংসদের সম্মতি থাকে, তবে নিশ্চয়ই সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ হুইপ বলেন, বর্তমানে রেশনিং ও সার বিতরণের দায়িত্বে থাকা ডিলাররা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছেন। তারা মূলত বাজারে ‘আর্টিফিশিয়াল ক্রাইসিস’ (কৃত্রিম সংকট) তৈরির চেষ্টা করছেন। কৃষকরা যেন ন্যায্যমূল্যে সার পায় এবং ফ্যাসিস্টরা যেন বিতাড়িত হয়, সেজন্য পুরাতন ডিলার নিয়োগ বাতিল করে নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি।
চিফ হুইপের এই প্রস্তাবের সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে টেবিল চাপড়ে সেটিকে স্বাগত জানান। সংসদ সদস্যদের এই ঐক্যবদ্ধ সমর্থন দেখে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি নিয়ে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
বিডিএস পর্যবেক্ষণ (Editorial Insight): আওয়ামী লীগ আমলের ডিলারদের অধিকাংশেরই বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সার ও রেশন মজুদ করার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বর্তমান সরকার ‘স্মার্ট কৃষি’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ চালুর যে মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে এই পুরনো ডিলারদের অপসারণ একটি অনিবার্য পদক্ষেপ ছিল। তবে নতুন ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে যেন দলীয়করণের চেয়ে যোগ্যতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, সেটিই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |