| বঙ্গাব্দ

১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন! খুদে বিজ্ঞানী আইদান ম্যাকমুলেনের বিশ্বজয়।

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-03-2026 ইং
  • 1416629 বার পঠিত
১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন! খুদে বিজ্ঞানী আইদান ম্যাকমুলেনের বিশ্বজয়।
ছবির ক্যাপশন: খুদে বিজ্ঞানী আইদান ম্যাকমুলেনের বিশ্বজয়।

খুদে বিজ্ঞানীর বিশ্বজয়: ১২ বছর বয়সেই পারমাণবিক ফিউশন ঘটিয়ে চমক দিল আইদান!

বিশেষ বিশ্লেষণে: বিডিএস বুলবুল আহমেদ (সিনিয়র ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট)

বিজ্ঞানের জগতে বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তা আবারও প্রমাণ করল যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসের ১২ বছর বয়সি খুদে শিক্ষার্থী আইদান ম্যাকমুলেন। মাত্র ১২ বছর বয়সেই ল্যাবরেটরিতে সফলভাবে ‘পারমাণবিক ফিউশন’ (Nuclear Fusion) ঘটিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সে। আইদানের এই অদম্য কৌতূহল এবং বৈজ্ঞানিক প্রতিভা এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের দোরগোড়ায়।

১. আট বছর বয়স থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু

আইদান জানিয়েছে, এই কঠিন প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল যখন তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। তবে সরাসরি যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ শুরু করার আগে সে টানা দুই বছর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা (Nuclear Physics) অধ্যয়ন করেছে। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোর প্রতি তার এই ঝোঁকই তাকে আজ এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।

২. মায়ের দুশ্চিন্তা ও নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ

আইদানের এই প্রকল্পের পথ মোটেও মসৃণ ছিল না। ঘরে পারমাণবিক ফিউশনের মতো একটি বিপজ্জনক কাজ চলায় তার মা স্বাভাবিকভাবেই প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় ছিলেন। যান্ত্রিক ত্রুটি বা কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় মা তাকে বারবার সতর্ক করতেন। তবে সব নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আইদান সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে সফলভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।

৩. গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পথে আইদান

বর্তমানে এই অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Records) নাম লেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে আইদান। সে শিগগিরই প্রয়োজনীয় সকল বৈজ্ঞানিক প্রমাণাদি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবে। উল্লেখ্য যে, এই বিভাগে বর্তমান বিশ্ব রেকর্ডের অধিকারী জ্যাকসন অসওয়াল্ড, যে ১২ বছর বয়সে এই রেকর্ড গড়েছিল। এখন আইদান সেই রেকর্ড নিজের নামে করার অপেক্ষায়

৪. কেন এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ?

পারমাণবিক ফিউশন হলো সূর্যের শক্তির উৎস। এটি অত্যন্ত জটিল এবং ব্যয়বহুল একটি প্রক্রিয়া। একজন ১২ বছর বয়সি খুদে শিক্ষার্থীর পক্ষে এই প্রযুক্তির মূল নীতিগুলো বুঝে তা বাস্তবে রূপান্তর করা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।

বিশেষ বিশ্লেষণ: বাংলাদেশ থেকে হাজার কোটি টাকা পাচার: পি কে হালদার ও ওসি প্রদীপের নেপথ্য কাহিনী

উপসংহার

আইদান ম্যাকমুলেন প্রমাণ করেছে যে, কঠোর পরিশ্রম এবং সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে শৈশব থেকেই বড় বড় বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বিশ্বের ভবিষ্যৎ জ্বালানি সংকটের সমাধানে হয়তো এই আইদানরাই একদিন নেতৃত্ব দেবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency