নিজস্ব প্রতিবেদক: [BDS Bulbul Ahmed]
তারিখ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও বর্তমান সরকারের মন্ত্রী নুরুল হক নুরকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এবং তাঁর মন্ত্রীত্ব কেড়ে নিতে দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা জামায়াত-শিবির কর্মীরা কাজ করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজ ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। রাশেদ খাঁন বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে তরুণদের রাজনীতির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, জামায়াত-শিবির নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে তা শুরুতেই ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি বলেন, “গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি—দুটো দলের একটাকেও নিজেদের রাজনীতি করতে দেয়নি জাশি (জামায়াত-শিবির)। দুইয়ের সম্ভাবনাকেই তারা গলাটিপে হত্যা করেছে।”
রাশেদ খাঁন উদাহরণ টেনে বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৯ দফার ঘোষণা দিয়েও আব্দুল কাদের কেন ডাকসুর ভিপি হতে পারলেন না? তাঁর মতে, আব্দুল কাদের যাতে নেতৃত্বে আসতে না পারেন, সেজন্য জামায়াত-শিবির একযোগে প্রোপাগান্ডা চালিয়েছে।
নতুন গঠিত এনসিপি (NCP) দলটিকে নিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, “এনসিপির ৮০% নেতাকর্মী জাশি থেকে আসা। এরা কোনোদিন জাশির মতামতের বাইরে বিকল্প কিছু করতে দেবে না।” তিনি অভিযোগ করেন, সাংগঠনিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে জামায়াত-শিবির শুরু থেকেই এই দলগুলোতে নিজেদের কর্মী ঢুকিয়ে দিয়েছে।
নিজের দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে রাশেদ খাঁন বলেন, “আমি গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা জাশির অত্যাচারের জন্যই দল ছেড়েছি। তারা গণঅধিকার পরিষদকে জামায়াতের অঙ্গ-সংগঠন বানানোর পরিকল্পনা করেছিল। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করা হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগে নুরকে বহিষ্কারের উদ্যোগ এবং ভুয়া প্রেস রিলিজ দেওয়ার পেছনেও এই চক্রটিই ছিল।
বর্তমানে নুরুল হক নুর সরকারের মন্ত্রীত্বে রয়েছেন। রাশেদ খাঁনের দাবি, এই চক্রটি এখন নুরকে মন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে দিতে এবং তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
বিডিএস পর্যবেক্ষণ: রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্য গণঅধিকার পরিষদের ভেতরে দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনাকে প্রকাশ্যে নিয়ে এলো। তবে নুরুল হক নুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো পাল্টা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে এই বিভাজন এবং ‘জামায়াত-শিবির’ ইস্যু ২০২৬-এর পরবর্তী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় কী প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |