প্রতিবেদনকারীর নাম: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতিকে ঘিরে। তমলুক পৌরসভার কাউন্সিলর এবং তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পার্থসারথি মাইতি হঠাৎ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি কান ধরে ওঠবস করছেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছেন। মাইতির দাবি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সঙ্গে জেলার ও রাজ্যের অনেক নেতাই জড়িত ছিলেন, অথচ তাঁরা মুখ খোলেননি।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৮০৪ জন অযোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকার তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের আত্মীয়-স্বজনের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার।
ভিডিওতে পার্থসারথি মাইতি বলেন, “২০১৫-১৬ সালে যখন এই নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে তখন শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলেন এবং দলীয় প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। সুতরাং তিনি নিজেকে দায়মুক্ত করতে পারেন না। আজ বিজেপিতে গিয়ে তিনি নির্দোষ সাজার চেষ্টা করছেন।”
নিজ দলের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে মাইতি মানুষের কাছে মাথা নত করেন এবং প্রতীকী শাস্তি হিসেবে কান ধরে ওঠবস করেন। তাঁর এই পদক্ষেপে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায়।
বিরোধীরা বলছে, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক নাটক। তবে বিশ্লেষকদের মতে, মাইতির এই পদক্ষেপ তৃণমূল কংগ্রেসকে আরও অস্বস্তিতে ফেলেছে। কারণ, বিরোধীরা যেখানেই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে, সেখানে শাসক দলেরই একজন নেতা প্রকাশ্যে নিজের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর নাম উল্লেখ করে মাইতি আসলে বোঝাতে চেয়েছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরও তিনি অতীত থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্ত নন। ফলে তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলের ওপরই নিয়োগ দুর্নীতির দায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
পার্থসারথি মাইটির সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিও
সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে প্রকাশিত তালিকা
পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় গণমাধ্যম
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |