নিজস্ব প্রতিবেদক | সিলেট | ২১ আগস্ট ২০২৫
দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারোয়ার আলম ছুটে যান আলোচিত কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথরে। পথে হঠাৎ গাড়ি থামিয়ে অভিযানে নেমে সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সাদাপাথরে গিয়ে ধ্বংসস্তূপ, ভাঙা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বিবর্ণ দৃশ্য দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন—
“সাদাপাথরকে আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যাতে কোনোভাবেই পাথর চুরি বা লুট না হয়, সেজন্য কঠোর নজরদারি থাকবে।”
তিনি আরও জানান, কারা এ লুটের সঙ্গে জড়িত, কেন এবং কীভাবে এমন ঘটনা ঘটেছে—সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।
ডিসি সারোয়ার আলম বলেন,
“জনগণই প্রশাসনের শক্তি। ইতোমধ্যেই জনগণ এ লুটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। প্রশাসন জনগণের সঙ্গে থেকেই সাদাপাথর রক্ষায় কাজ করবে।”
এরপর তিনি পাথর প্রতিস্থাপন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
কোম্পানীগঞ্জের সাদাপাথর অঞ্চল দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক আকর্ষণীয় স্থান।
দীর্ঘদিন ধরে এখানে পাথর চুরি ও অবৈধ উত্তোলন নিয়ে বিতর্ক চলছে।
সমালোচনার মুখে গত সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সাবেক জেলা প্রশাসক শের মাহবুব মুরাদকে ওএসডি করা হয়।
একই দিনে আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বুধবার রাতে তিনি যোগদান করেন এবং বৃহস্পতিবার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সাদাপাথরে সরেজমিন পরিদর্শনে যান।
প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কারণে সারোয়ার আলমকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। দায়িত্বের প্রথম দিনেই সাদাপাথরে যাওয়ার ঘটনা তার কড়া অবস্থানকে স্পষ্ট করেছে।
সামাজিক কর্মী ও পরিবেশবাদীরা আশা করছেন, নতুন ডিসির উদ্যোগে সাদাপাথর শুধু অবৈধ দখল ও লুট থেকে রক্ষা পাবে না, বরং আগের সৌন্দর্যেও ফিরতে পারবে।
জেলা প্রশাসকের বক্তব্য (সাদাপাথর পরিদর্শন, ২১ আগস্ট ২০২৫)
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন (১৮ আগস্ট ২০২৫)
স্থানীয় সংবাদকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |