ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্র, জাতীয় ঐক্যের আহ্বান রাজনৈতিক নেতাদের
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এমন ঘোষণার পর নির্বাচন বানচাল ও দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টে বিভিন্ন মহলের চতুর্মুখী অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র নেতারা বলছেন, সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী ও পতিত আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা পরিকল্পিতভাবে নাশকতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ক্ষেত্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে।
তাদের মতে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। এজন্য নির্বাচন পর্যন্ত সরকার ও গণ-অভ্যুত্থানপন্থী সব শক্তিকে একযোগে কাজ করতে হবে। একইসঙ্গে সরকারকে নিয়মিতভাবে নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
রাজনৈতিক নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, নির্বাচনের আগে প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ ও গুজব ছড়ানোর চেষ্টা বাড়বে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব দলকে নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে ইস্পাতকঠিন ঐক্য গড়তে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, “একটি সুষ্ঠু, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচনই সংকটের সমাধান।” একইভাবে থিয়েটার বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. সাইফুল ইসলাম মনে করেন, অতীতেও ষড়যন্ত্র হয়েছিল, কিন্তু রাজনৈতিক ঐক্য থাকায় নির্বাচন হয়েছে—এবারও তা সম্ভব।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনে বাধা সৃষ্টিকারী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিএনপি ইতোমধ্যে ৪২টি মিত্র দল এবং আরও ২২টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছে, যাতে ঐক্য জোরদার হয়।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু—সকলেই জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ফ্যাসিবাদের সুযোগ যেন আর না হয়।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান মনে করেন, ঐক্যমতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে যথাসময়েই নির্বাচন হবে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জনগণের কাছে গিয়ে ম্যান্ডেট আদায়ের চেষ্টা করা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |