| বঙ্গাব্দ

পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনা ও পরিবারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ, টিউলিপ সিদ্দিকও আসামি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 13-08-2025 ইং
  • 4388384 বার পঠিত
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনা ও পরিবারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ, টিউলিপ সিদ্দিকও আসামি
ছবির ক্যাপশন: টিউলিপ সিদ্দিক

পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনাসহ পরিবারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

ঢাকা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেছেন আদালত। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুতির পর দেশ থেকে বাইরে অবস্থানরত এই প্রভাবশালী পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক মামলা চলছে, যা দেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

টিউলিপ সিদ্দিকসহ পরিবারের বিরুদ্ধে মামলা

আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির একটি আলোচিত মামলায় ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আদালত এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই একই মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, টিউলিপ সিদ্দিকের মা শেখ রেহানা, ভাই রাদওয়ান সিদ্দিক ও বোন আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীকে। তাদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি দুর্নীতির মামলা রয়েছে।

অন্যান্য মামলার বর্তমান অবস্থা

এর আগে গত ৩১ জুলাই ঢাকার দুটি বিশেষ জজ আদালত দুর্নীতির পৃথক ছয়টি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর পরপরই গত ১১ আগস্ট পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট দুর্নীতির আরও তিনটি মামলায় শেখ হাসিনা এবং তার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধেও সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তাদের বিরুদ্ধে এসব দুর্নীতির অভিযোগের সূত্রপাত হয় ডিসেম্বরে। সে সময় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ছয়টি প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করে।

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে টিউলিপের দাবি

এই মামলাগুলোর বিষয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সমন পাননি। তবে আদালত বিচারিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই মামলার রায় বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিচারিক আদালত থেকে প্রাপ্ত তথ্য।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency