৫ আগস্টের আগে ইউনূস প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ছে: নির্বাচনের তারিখ নিয়ে সন্দেহ ও আতঙ্কে সরকার
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ২৭ জুলাই ২০২৫ | সূত্র: সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার ভিডিও বার্তা ও রাষ্ট্রীয় বৈঠক পর্যবেক্ষণ
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের একবছর পূর্তি সামনে রেখে জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট ঘিরে উত্তেজনা যখন চূড়ায়, ঠিক তখনই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পদক্ষেপ ও ঘোষণাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা, সন্দেহ এবং প্রশ্ন।
অভিজ্ঞ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন—
“১৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ড. ইউনূসের বৈঠক শেষে জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার জানান, নির্বাচনের তারিখ চার-পাঁচ দিনের মধ্যে ঘোষণা হবে। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পরও প্রধানমন্ত্রীর দফতরের কোনো ‘চঞ্চলতা’ নেই।”
তিনি আরও যোগ করেন—
“এই সরকার এর আগেও নাটক করেছে মানুষ ঠাণ্ডা রাখতে। এবারও কি তাই? শুধু ‘তারিখ’ ঘোষণা করে কি জনসাধারণের ক্ষোভ দমন সম্ভব হবে?”
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন হিসেবেই গণআন্দোলনের ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। সেই দিনটিকে ঘিরেই এবার “আন্দোলনের দ্বিতীয় তরঙ্গ” নিয়ে গুঞ্জন চলছে।
পান্না বলেন—
“সরকার ভীষণ ভয় আর আতঙ্কে আছে। হয়তো ইউনূস বুঝে গেছেন— কিছু একটা আসছে। তাই তড়িঘড়ি করে বৈঠক ও লোক দেখানো নির্বাচনী তারিখ ঘোষণার চেষ্টা।”
তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন—
“এর পেছনে আরও একটি পরিকল্পনা থাকতে পারে— পরিস্থিতি খারাপ করে নির্বাচনের তারিখ পেছানোর জন্য অজুহাত তৈরি।”
গত একবছরে নিউ সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি) যে মাত্রায় রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পাচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক পান্না।
“এনসিপিকে যেভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হচ্ছে, তা কি স্রেফ রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য? নাকি এটি সরকারের একটি গভীরতর কৌশল?”
এছাড়া তথাকথিত ‘ঐকমত্য কমিশন’ এবং তার সংস্কার কর্মসূচি নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেছেন মঞ্জুরুল আলম পান্না।
“ঐকমত্যের নামে মাসের পর মাস ধরে নাটক চলছে। মূলত এটি ক্ষমতায় থাকার এক রকমের ঢাল।”
বাংলাদেশে ১৯৫৪, ১৯৭০, ১৯৭৯, ১৯৯১ কিংবা ২০০৮ সালের নির্বাচনের পূর্ববর্তী পরিস্থিতিগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়— সব সময় রাজনৈতিক নাটক, প্রশাসনিক কৌশল ও গণমানুষের প্রত্যাশা এক জটিল স্নায়ুযুদ্ধে পরিণত হয়।
২০২৫ সালের এই মুহূর্তে যেন তারই প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছে দেশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন—
“জাতীয় নির্বাচন কেবল ‘তারিখ ঘোষণার’ বিষয় নয়— তা বিশ্বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং গণপ্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার। সেটি না থাকলে নির্বাচনের ঘোষণা অর্থহীন হয়ে পড়ে।”
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |