প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশ প্রতিদিন ডেস্ক
বিশ্বজুড়ে আবারও ছড়িয়ে পড়ছে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস, যা ২০০৪-০৫ সালের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে। এবার আরও বড় পরিসরে এবং আরও বেশি দেশে—এমনটাই আশঙ্কা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
WHO জানায়, বর্তমানে ১১৯টি দেশের প্রায় ৫৬০ কোটি মানুষ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সরাসরি ঝুঁকিতে রয়েছে।
চিকুনগুনিয়া হল মশাবাহিত ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত এডিস মশা (Tiger Mosquito)-র মাধ্যমে ছড়ায়। ডেঙ্গু ও জিকার মতো ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাসও মানবদেহে প্রবেশ করে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
🩺 লক্ষণ:
প্রচণ্ড জ্বর
অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা
শারীরিক দুর্বলতা ও কখনো দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা
চিকুনগুনিয়ার কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ বা ভ্যাকসিন নেই, যা একে আরও বিপজ্জনক করে তোলে।
WHO-এর চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাঃ দিয়ানা রোহাস আলভারেজ জানান:
ভারত মহাসাগরের দ্বীপ লা রিইউনিয়ন, মায়োত এবং মরিশাস-এ সংক্রমণ ভয়াবহ।
লা রিইউনিয়নে এক-তৃতীয়াংশ মানুষ আক্রান্ত।
আফ্রিকার মাদাগাস্কার, সোমালিয়া, কেনিয়াতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে।
ভারত, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এখন ঝুঁকির মধ্যে।
ইউরোপের ফ্রান্স ও ইতালিতেও সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
ফ্রান্সে ১ মে থেকে ৮০০+ কেস শনাক্ত, যার মধ্যে ১২টি স্থানীয় সংক্রমণ, অর্থাৎ রোগীরা ভ্রমণ না করেই আক্রান্ত হয়েছেন।
WHO এক জরুরি বিবৃতিতে বলেছে:
“চিকুনগুনিয়া আবারও বৈশ্বিক মহামারির রূপ নিতে পারে যদি এখনই সচেতনতা, নজরদারি ও মশা নিয়ন্ত্রণ না নেওয়া হয়।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, উষ্ণ আবহাওয়া, নগরায়ন এবং যাতায়াত বৃদ্ধি—এই তিনটি কারণেই এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশে বর্ষাকালে এডিস মশার আধিক্য, জনঘনত্ব, শহরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা—এসব কারণেই বাংলাদেশ এখন চিকুনগুনিয়া বিস্তার জন্য উচ্চঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।
আগেও ২০১৭ ও ২০১৯ সালে দেশে চিকুনগুনিয়ার আঞ্চলিক প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এখন থেকেই সতর্ক না হলে ২০২৫ সালেই এটি বাংলাদেশে বড় আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
Aedes মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করুন (যেমন: ফুলের টব, টায়ার, ড্রাম)
শরীরে মশার কামড় থেকে রক্ষা করুন (মশারি, রেপেলেন্ট)
কোনো উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
সচেতনতা ছড়ান—পারিবারিক, সামাজিক ও অফিস পর্যায়ে
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |