| বঙ্গাব্দ

গাজায় ক্ষুধা ও ইসরায়েলি অবরোধে শিশুর মৃত্যু, মানবিক বিপর্যয়ে বিশ্ব স্তব্ধ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 21-07-2025 ইং
  • 8702750 বার পঠিত
গাজায় ক্ষুধা ও ইসরায়েলি অবরোধে শিশুর মৃত্যু, মানবিক বিপর্যয়ে বিশ্ব স্তব্ধ
ছবির ক্যাপশন: গাজায় ক্ষুধা ও ইসরায়েলি অবরোধে শিশুর মৃত্যু

গাজায় মৃত্যু বাড়ছেই: শিশুরা ক্ষুধায় নিঃশেষ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রচারও নিষিদ্ধ

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
স্থান: গাজা, ফিলিস্তিন |

সূত্র: মিডল ইস্ট আই, UN OCHA, আল-জাজিরা

ইসরায়েলি অবরোধ এবং মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকার ফলে গাজার মানুষ এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষুধা, পানিশূন্যতা এবং অপুষ্টিজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছেন চার বছর বয়সী শিশু রাজান আবু জাহের।

রাজান দেইর আল-বালাহর আল-আকসা শহীদ হাসপাতালে মারা যান, যেখানে চিকিৎসকেরা জানান—শিশুটির মৃত্যু হয়েছে “চরম অপুষ্টি ও দীর্ঘস্থায়ী অনাহারের” কারণে।


ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সহায়তার অপেক্ষায় থাকা মানুষও নিহত

রবিবার গাজাজুড়ে ইসরায়েলি সেনাদের টার্গেটেড হামলায় ১১৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
বিশেষ করে খান ইউনিস শহরের আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি শরণার্থী ক্যাম্পে বোমা হামলায় এক শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়, যেখানে তাঁরা সবাই ত্রাণ সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।


গণনাটকীয় পরিসংখ্যান: নিহত ৫৮,৮৯৫+

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং মিডল ইস্ট আই জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে

🔺 ৫৮,৮৯৫ জন
🔺 আহত ১,৪০,৯৮০ জন
এর মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।


UN রিপোর্ট: শিশুরা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হচ্ছে

জাতিসংঘের মানবিক সাহায্য বিষয়ক দপ্তর (UNOCHA) জানিয়েছে:

“গাজার পরিবারগুলো এখন ‘বিপর্যয়কর ক্ষুধার’ মধ্যে রয়েছে। শিশুরা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে, কেউ কেউ ত্রাণ পৌঁছানোর আগেই মারা যাচ্ছে।”

🔸 মার্চ থেকে জুনের মধ্যে UNRWA পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ৭৪,০০০ শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়,
যার মধ্যে ৫,৫০০ শিশু গুরুতর অপুষ্টিতে,
এবং ৮০০ শিশু ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ অবস্থায় রয়েছে।


গণমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের গাজায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
UNRWA-এর মুখপাত্র বলেন,

“৬৫০ দিন ধরে গাজা একটি ‘ভয়াবহ দৃশ্যের সরাসরি সম্প্রচারে’ পরিণত হয়েছে।”

বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছে।
মার্কিন ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা “Human Rights Watch” বলেছে—

“গণহত্যার বাস্তবতা আড়াল করতে সাংবাদিক প্রবেশ ঠেকানো হচ্ছে।”


ইসরায়েলি নির্দেশ: বাসিন্দাদের নতুন করে উচ্ছেদের নোটিশ

রবিবার আবারো দেইর আল-বালাহর কয়েকটি এলাকায় সাধারণ মানুষকে নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানায়,

“নতুন অভিযান শুরুর আগেই ফিলিস্তিনিদের এলাকা খালি করার আল্টিমেটাম দেওয়া হচ্ছে।”


আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ: মরক্কোতে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে

একই দিনে মরক্কোর রাজধানী রাবাত-এ হাজারো মানুষ ইসরায়েলের যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেয়।
তাদের দাবি ছিল—

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency