মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার (৩ মে) সকালে এ চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়। বিষয়টি এমন সময় সামনে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি আরব যাচ্ছেন। তার সফরের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ও রিয়াদের মধ্যে নতুন সামরিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বের ইঙ্গিত মিলছে।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির চুক্তি সম্পর্কে কংগ্রেসকে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে। অনুমোদিত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১,০০০টি ‘AIM-120’ মধ্যপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল। এসব ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া যায়। আধুনিক প্রযুক্তির এই অস্ত্রগুলো সৌদি বিমানবাহিনীর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই অস্ত্রচুক্তি শুধু সামরিক সম্পর্ক নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি আরবের মধ্যকার অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকেও তুলে ধরে। সৌদি আরব পূর্বে জানিয়েছিল, তারা আগামী চার বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৬০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে এসব বাণিজ্যিক ও কৌশলগত চুক্তিকে মার্কিন অর্থনীতির জন্য বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছেন।
এই চুক্তির ঘোষণার মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি সফরে কেবল রাজনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং কৌশলগত বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতাকে কেন্দ্র করেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ট্রাম্প পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ইতালিও গিয়েছিলেন, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকার পরিচয় বহন করে।
এই ধরনের অস্ত্রচুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সৌদির মানবাধিকার পরিস্থিতি ও ইয়েমেনে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রেক্ষিতে এমন বিক্রিকে প্রশ্নবিদ্ধ বলেও মন্তব্য করছে। কংগ্রেসের কিছু সদস্যও চুক্তিটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |