জাতিসংঘে দুটি ভিন্ন ভোটে রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিল যুক্তরাষ্ট্র। তিন বছর পর রাশিয়ার পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সিএনএন নিউজের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম প্রস্তাবটি ছিল ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা এবং ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানানো। এই প্রস্তাবটি ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়। তবে, এই প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়ই বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা সত্ত্বেও, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
দ্বিতীয় প্রস্তাব:
দ্বিতীয় প্রস্তাবটি উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত এই প্রস্তাবে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হলেও, এতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা ছিল না। এই প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া উভয়ই পক্ষে ভোট দেয়।
ব্রিটেন ও ফ্রান্সের অবস্থান:
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই মিত্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স, এই প্রস্তাবে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে। তাদের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব বহন করে, কারণ এই দুটি দেশ ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন প্রদানে দৃঢ় অবস্থান নেয়।
গণভোট:
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ইউরোপীয় প্রস্তাবটি ৯৩ ভোটে অনুমোদিত হয়। তবে, যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাবে বিরত থেকে সরাসরি এর বিপক্ষে ভোট দেয়। রাশিয়া, ইসরায়েল, উত্তর কোরিয়া, সুদান, বেলারুশ, হাঙ্গেরি এবং আরও ১১টি রাষ্ট্রও এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। ৬৫টি দেশ ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে।
ইউক্রেনের প্রতি সমর্থনের ভাষা যুক্ত করার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবটিও সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। তবে সংশোধিত প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত ভোটদানে বিরত থাকে।
নিরাপত্তা পরিষদের ভোট:
অন্যদিকে, ১৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অসংশোধিত মার্কিন প্রস্তাবটি ১০ ভোটে গৃহীত হয়। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, গ্রিস, এবং স্লোভেনিয়া এতে ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকে।
বিশ্ব রাজনীতিতে প্রভাব:
এটি জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিতে দেশের কৌশলগত অবস্থান এবং রাজনৈতিক স্বার্থের প্রতিফলন। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করতে চেষ্টা করছে, যেখানে কিছু দেশ যুদ্ধের অবসান চায়, আবার কিছু দেশ আঞ্চলিক নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক অবস্থান থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |