প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়ক নির্মাণে চরম অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সড়কটি তৈরিতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে সেখানে বালুর বদলে ইটের গুঁড়া (ডাস্ট) ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
এ ছাড়া নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী চলতি বছরের ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ প্রায় চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কাজ চলমান রয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের কাজে নিম্নমানের খোয়া ও বালুর পরিবর্তে ইটের গুঁড়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঘটনাস্থলে রাস্তার দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মিলন নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘আসলে সব জায়গায় যে খারাপ তা নয়, ভালো-খারাপের মিশ্রণ আছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মহুবর রহমান অভিযোগ করে জানান, কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন নানা অনিয়ম করে আসছে। দিনের পর দিন কাজ ফেলে রাখায় তাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এখন আবার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তার কাজ করায় তা বেশি দিন টিকবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, 'বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের জেলা সমূহের পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (GRRIIP)'-এর আওতায় থানাহাট ইউপি অফিস থেকে ব্যাপারীর হাট সড়ক উন্নয়নকরণ কাজের বাস্তবায়ন চলছে। ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৭১৭ টাকা ব্যয়ে কাজটি করছে ‘বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী সড়কটি নির্মাণের সময়সীমা ছিল চলতি বছরের ১৩ জুলাই পর্যন্ত। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার চার মাস ঘনিয়ে এলেও কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।
সড়ক নির্মাণে বালুর বদলে ইটের গুঁড়া ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চিলমারী উপজেলা উপ-প্রকৌশলী আতাউর রহমান বলেন, ‘বালুর জায়গায় ডাস্ট ব্যবহার করে রাস্তা খারাপ করেছে। যে ডাস্ট দেওয়া হয়েছে, তা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হবে।’
এদিকে নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ শেষ না হওয়া ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জগবন্ধু রায় জানান, সরেজমিনে পরিদর্শন না করে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়; স্থানটি পরিদর্শনের পরই বিস্তারিত জানানো যাবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |