হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাব পর্যালোচনা করছে ইরান
কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাসের বিষয়ে ওয়াশিংটনের পাঠানো বার্তা বা জবাব গভীর সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে ইরান। আজ ১২ অক্টোবর তেহরানে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা ও নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক অচলাবস্থা নিরসনে একটি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক কূটনৈতিক মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানপত্র ইরানের কাছে পৌঁছায়। মূল বিষয় হলো, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথ সচল রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় সামরিক সংঘাত এড়াতে দুপক্ষ কতটা নমনীয় ভূমিকা পালন করবে তা নির্ধারণ করা।
কূটনৈতিক প্রস্তাব ও আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় বেশ কিছু শর্ত ও অবস্থান তুলে ধরেছে উভয় দেশ।
ইরানের মূল দাবি: পারস্য উপসাগরে বিদেশি শক্তির উসকানিমূলক সামরিক উপস্থিতি হ্রাস এবং ইরানের ওপর আরোপিত তেল ও বাণিজ্য সংক্রান্ত কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।
যুক্তরাষ্ট্রের শর্তাবলি: হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে কোনো ধরনের বাধা না দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
কূটনৈতিক মাধ্যম: দুই দেশের মধ্যে সরাসরি কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় তৃতীয় মধ্যস্থতাকারী দেশের (সুইজারল্যান্ড) মাধ্যমে প্রস্তাব এবং প্রতি-প্রস্তাব আদান-প্রদান করা হচ্ছে।
এক নজরে হরমুজ প্রণালি সংকট ও প্রস্তাব পর্যালোচনা
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| প্রধান টপিক | হরমুজ প্রণালি মুক্ত রাখা নিয়ে মার্কিন জবাব পর্যালোচনা |
| সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ | ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র (মধ্যস্থতাকারী দেশ সুইজারল্যান্ড) |
| ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব | বিশ্বের মোট তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয় |
| মূল উদ্দেশ্য | আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় উত্তেজনা কমানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ |
| সংবাদের তারিখ | ১২ অক্টোবর ২০২৬ |
আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রভাব
ইরানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, দেশের সার্বিক জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে জবাবটির ওপর আইনি এবং সামরিক মূল্যায়ন চালানো হচ্ছে। ওয়াশিংটনের বার্তা সন্তোষজনক কি না এবং তা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী কি না—তা গভীরভাবে দেখা হচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |