| বঙ্গাব্দ

পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়ে মাকে ফোনে কী বলেছিলেন রোনালদো

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 09-10-2026 ইং
  • 7628 বার পঠিত
পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়ে মাকে ফোনে কী বলেছিলেন রোনালদো
ছবির ক্যাপশন: পর্তুগালের ক্যাম্প ছেড়ে মাকে ফোনে কী বলেছিলেন

পর্তুগাল জাতীয় দলের সঙ্গে রোনালদোর বিতর্ক: যা বললেন ‘সিআর সেভেনের’ মা

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধ ও চরম উত্তেজনার জেরে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জাতীয় দল ছাড়ার ঘটনা বিশ্ব ফুটবলে বর্তমানে অন্যতম বড় আলোচনার বিষয়। ঘটনার আকস্মিকতায় ফুটবলবিশ্বে যেমন ঝড় উঠেছে, তেমনি নিজ ছেলের এমন বিদায় নিয়ে অত্যন্ত আবেগঘন ও মনঃকষ্টের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ‘সিআর সেভেনে’র মা মারিয়া দোলোরেস দো সাক্রামেন্তো দোস সান্তোস অ্যাভেইরো।

যেমন প্রতিক্রিয়া সিআর সেভেনের মায়ের

পর্তুগিজ ম্যাগাজিন ‘টিভি ৭ ডিয়াস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ৭১ বছর বয়সি মারিয়া দোলোরেস তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, “আমার মন ভীষণ খারাপ, আর এটাই স্বাভাবিক। বিষয়টি আমাকে বেশ ধাক্কা দিয়েছে। আমার ছেলে তো রাজকীয়ভাবে বা বড় দরজা দিয়ে জাতীয় দল থেকে বিদায় নিতে পারত, অথচ তাকে পেছনের ছোট দরজা দিয়ে বিদায় নিতে হলো! তবে এসব নিয়ে ভেবে আর লাভ নেই, যা করার উপরওয়ালাই করবেন।”

ছেলের এমন বিদায়ে তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে কেঁদেও ফেলেছেন জানিয়ে বলেন, “কান্না করলে মন কিছুটা হালকা হয়। এখন আমাদের এই কঠিন সময়টা পার করে সামনের দিকে এগোতে হবে।”

মায়ের সঙ্গে রোনালদোর যে কথা হয়েছিল

ক্যাম্প ছেড়ে আসার পরপরই মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন রোনালদো। সেই ফোনালাপের স্মৃতিচারণা করে দোলোরেস বলেন, “ও আমাকে ফোন করে বলল, ‘মা, একদম চিন্তা করো না। আমরা সবাই যখন একসঙ্গে মিলিত হব, তখন আমি সব সত্যিটা খুলে বলব।’ আমি তখন ওকে উত্তর দিয়েছিলাম, ‘ঠিক আছে আমার বাবা, পরিস্থিতিটা আবারও নিজের পক্ষে ঘুরিয়ে নাও।’ ব্যস, এতটুকুই কথা হয়েছিল। আমি ওকে সবসময় শান্ত থাকতে বলেছিলাম, কিন্তু ওর মেজাজ যা করানোর শেষ পর্যন্ত করিয়েই ছাড়ল।”

ছেলের পাশে থাকার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি ওকে সব ধরনের সমর্থন দিয়েছি, যদিও তাতে শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজ হয়নি। তবে তাতে কিছু যায়-আসে না। সে পর্তুগালকে যা দিয়েছে, সে কারণেই সে সবসময় সবার হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। সে সব সময়ই পর্তুগালের মহানায়ক ছিল।” পর্তুগিজদের মানসিকতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মারিয়ার বিশ্বাস, দেশের মানুষ রোনালদোকে ঠিক যতটা মূল্যায়ন করা উচিত, ততটা করে না; তবে তাদের স্বভাবই নাকি এমন। উল্লেখ্য, এর আগে রোনালদোর বোন এলমা অ্যাভেইরোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

জাতীয় দলের জার্সিতে রোনালদোর ঐতিহাসিক অধ্যায়

২০০৩ সালে পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে ২৩৪টি ম্যাচ খেলে ১৪৬টি গোল করার অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। বিশেষ করে, ২০১৬ সালে তার নেতৃত্বেই পর্তুগাল প্রথমবারের মতো জিতেছিল ইউরো কাপের শিরোপা, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন। কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বন্দ্বের পর তিনি পর্তুগালের হয়ে আর মাঠে নামবেন কি না, তা নিয়ে বর্তমানে ঘোর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency