প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশ পেয়েও যোগ দেননি ১৪৭১ জন, পদে বসাতে আদালতের দ্বারস্থ নিয়োগবঞ্চিত ৮৩ প্রার্থী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ১ হাজার ৪৭১ জন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত কর্মস্থলে যোগদান করেননি। আজ ৭ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে এ বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকার বিষ বিষয়টি সুনির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্য কোনো উচ্চতর চাকরিতে যোগদান অথবা ব্যক্তিভিত্তিক অন্যান্য কারণে তারা এই পদ গ্রহণ করেননি বলে জানা গেছে। তবে এই বিপুল পরিমাণ পদ ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাননি এমন ৮৩ জন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী শূন্য পদগুলোতে নিজেদের নিয়োগের দাবিতে হাইকোর্টে রিট আবেদন ও প্রশাসনিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
নিয়োগ প্রক্রিয়া ও পদের বর্তমান চিত্র
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষকের সংকট মেটাতে গত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে জেলাওয়ারী চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
যোগদান না করা পদের সংখ্যা: চূড়ান্ত বাছাই শেষে নিয়োগপত্র প্রদান করা হলেও মোট ১ হাজার ৪৭১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ে যোগদান করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
বঞ্চিত প্রার্থীদের অবস্থান: ভাইভা এবং চূড়ান্ত মেধা তালিকার কাছাকাছি অবস্থান করা ৮৩ জন প্রার্থী দাবি করছেন, পদ খালি থাকা সত্ত্বেও কারিগরি জটিলতা ও প্রশাসনিক ভুলের কারণে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ থেকে বাদ রাখা হয়েছে।
শূন্য পদের প্রভাব: হাজারেরও বেশি পদ খালি থাকায় দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এক নজরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| সুপারিশ পেয়েও অনুপস্থিত | ১,৪৭১ জন প্রার্থী |
| নিয়োগ বঞ্চিত দাবিদার | ৮৩ জন প্রার্থী |
| সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ | প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় |
| বঞ্চিতদের পদক্ষেপ | হাইকোর্টে রিট আবেদন ও প্রশাসনিক স্মারকলিপি প্রদান |
| সংবাদের তারিখ | ৭ অক্টোবর ২০২৬ |
আইনি লড়াই ও বঞ্চিত প্রার্থীদের দাবি
নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা জানান, সরকারের নিয়ম ও প্রচলিত নিয়োগ বিধি অনুসরণ করে শূন্য পদগুলোতে অপেক্ষমাণ তালিকা (ওয়েটিং লিস্ট) থেকে নিয়োগ কার্যকর করা সম্ভব।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |