স্কুল ফিডিংয়ের দুধ পানে অসুস্থ ১৯ শিশু, পেটে ব্যথা ও খিঁচুনি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি
সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সরবরাহ করা তরল দুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ১৯ জন শিক্ষার্থী। আজ ৫ অক্টোবর সকালে শ্রেণিকক্ষে পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে বিতরণ করা ফর্টিফাইড দুধ পানের কিছুক্ষণ পরই তাদের তীব্র পেটে ব্যথা, বমি ও খিঁচুনি শুরু হয়। ঘটনাটি ঘটার পরপরই শিক্ষক ও স্থানীয় অভিভাবকেরা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বিষক্রিয়া নাকি দুধে কোনো ত্রুটি ছিল—তা খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ তাৎক্ষণিক তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনার বিবরণ ও চিকিৎসকদের বক্তব্য
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় সকালের টিফিনের সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিডিং প্রকল্পের বক্স দুধ বিতরণ করা হয়।
আকস্মিক অসুস্থতা: দুধ পানের ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী পেটে তীব্র যন্ত্রণার কথা জানায়। দেখতে দেখতে অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বমি ও খিঁচুনির উপসর্গ দেখা দেয়।
জরুরি চিকিৎসা সেবা: অসুস্থ ১৯ শিক্ষার্থীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে তাঁদের স্যালাইনসহ প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য পরিস্থিতি: কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এটি ফুড পয়জনিং (খাদ্য বিষক্রিয়া) হতে পারে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাধীন এবং আশঙ্কামুক্ত রয়েছে।
এক নজরে ঘটনার বিবরণ
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| ঘটনার উৎস | স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় সরবরাহ করা প্যাকেটের দুধ |
| আক্রান্তের সংখ্যা | ১৯ জন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী |
| প্রধান উপসর্গ | তীব্র পেটে ব্যথা, বমি ও খিঁচুনি |
| চিকিৎসার অবস্থা | উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন |
| সংবাদের তারিখ | ৫ অক্টোবর ২০২৬ |
প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের পদক্ষেপ
ঘটনার পর পরই স্থানীয় প্রশাসন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |