| বঙ্গাব্দ

১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 04-10-2026 ইং
  • 6738 বার পঠিত
১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি
ছবির ক্যাপশন: ১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর

বহর সম্প্রসারণে ১০টি এয়ারবাস কেনার ঐতিহাসিক চুক্তি করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করতে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন এয়ারবাস কেনার আনুষ্ঠানিক চুক্তি আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) ঢাকায় স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একক বোয়িংনির্ভরতা কাটিয়ে এয়ারবাসের মতো জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় এই সংস্থা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর অভিজাত র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন—

  • জুর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার: প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া

  • কাইজার সোহেল আহমেদ: ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

চুক্তির আওতায় যা থাকছে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হতে যাওয়া এই ১০টি নতুন উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে—

  • ৪টি এ৩৫০-৯০০ (A350-900): এই ওয়াইডবডি উড়োজাহাজগুলো দীর্ঘপাল্লার (Long-haul) আন্তর্জাতিক রুটে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • ৬টি এ৩২১নিও (A321neo): এই ন্যারোবডি উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের (Regional and Medium-haul) রুটে ব্যবহার করা হবে।

এর আগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছিলেন যে, অক্টোবরেই এই বহুল প্রতীক্ষিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। তবে ১০টি এয়ারবাস কেনার এই পুরো প্রকল্পের মোট বাণিজ্যিক বা আর্থিক মূল্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

ডেলিভারি এবং বহরে বৈচিত্র্য

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন এই এয়ারবাসগুলোর বাণিজ্যিক সরবরাহ বা ডেলিভারি ২০৩৩ সাল নাগাদ শুরু হতে পারে এবং তা ২০৩৬ কিংবা ২০৩৭ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে চলতে থাকবে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে থাকা জেট উড়োজাহাজগুলোর একটি বড় অংশই মার্কিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের তৈরি। ফলে এয়ারবাসের অত্যাধুনিক এ৩৫০-৯০০ ও এ৩২১নিও যুক্ত হলে বিমানের বহরে কাঠামোগত বড় বৈচিত্র্য আসবে। একই সঙ্গে বিমান একই সঙ্গে বোয়িং ও এয়ারবাস—উভয় শীর্ষ প্রস্তুতকারকের আধুনিক প্রযুক্তি পরিচালনা করবে।

দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা

এয়ারবাস কেনার এই উদ্যোগ বিমানের সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনারই একটি অংশ। এর আগে বিমান ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে সেই পরিকল্পনায় আরও ১১টি বোয়িং যুক্ত হয়ে মোট ২৫টি বোয়িং কেনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

ফলশ্রুতিতে, নতুন বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসের ১০টি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার এই ঐতিহাসিক চুক্তি বিমান বাংলাদেশের আকাশপথের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে এবং আন্তর্জাতিক রুটে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency