সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই প্রকৃত জাতিগত মুক্তি সম্ভব: আসিফ মাহমুদ
ধর্মীয় ও জাতিগত বিভেদ ভুলে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জোর আহ্বান জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখার মধ্য দিয়েই দেশের সার্বিক অগ্রগতি এবং প্রকৃত জাতিগত মুক্তি সম্ভব। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে আয়োজিত এক জাতীয় সম্প্রীতি সমাবেশ ও নাগরিক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ করার তাগিদ দিতে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।
সম্প্রীতি রক্ষা ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখাকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন: ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
উসকানির বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক শান্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা করা হলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
তরুণ সমাজের ভূমিকা: সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
এক নজরে আসিফ মাহমুদের মূল বক্তব্য
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| বক্তা | আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া (উপদেষ্টা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়) |
| অনুষ্ঠান | জাতীয় সম্প্রীতি সমাবেশ ও নাগরিক আলোচনা সভা |
| মূল বার্তা | সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতি গঠন |
| প্রধান আহ্বান | উসকানি প্রতিরোধ ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য |
| সংবাদের তারিখ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
সামাজিক উন্নয়ন ও সম্প্রীতির ভবিষ্যৎ ভাবনা
একটি প্রগতিশীল ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কোনো বিকল্প নেই বলে সভায় বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |