| বঙ্গাব্দ

সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিনামূল্যে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা অস্ত্রোপচার শুরু

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-07-2026 ইং
  • 1395633 বার পঠিত
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে বিনামূল্যে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা অস্ত্রোপচার শুরু
ছবির ক্যাপশন: বিনামূল্যে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা অস্ত্রোপচার শুরু

প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত করছে সরকার; কল সেন্টার ও ফ্রি অপারেশন ক্যাম্পের উদ্বোধনে ইসমাইল জবিউল্লাহ

জাতীয় ও স্বাস্থ্যসেবা ডেস্ক

সর্বশেষ আপডেট: ১৯ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার শিশু জন্মগতভাবে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা সমস্যার সম্মুখীন হয়। এই শিশুদের মুখে এক চিলতে সুন্দর হাসি ফুটিয়ে তুলতে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে ঢাকার সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে শুরু হয়েছে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিশেষ প্লাস্টিক সার্জারি বা অস্ত্রোপচার কর্মসূচি।

শনিবার (১৮ জুলাই, ২০২৬) সকালে এই মানবিক ও বিশেষ চিকিৎসা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

‘একটি সফল অস্ত্রোপচার একটি পুরো জীবন বদলে দেয়’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জন্মগত ত্রুটির বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন:

“বিশ্বব্যাপী প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ নবজাতকের মধ্যে একজন ঠোঁট বা তালুকাটা ‍সমস্যা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। বাংলাদেশেও প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার শিশু এই জন্মগত কষ্টের মুখোমুখি হচ্ছে। একটি সফল ও নিখুঁত অস্ত্রোপচার শুধু একটি শিশুর ভাঙা মুখই জোড়া লাগায় না, বরং তার একটি পুরো ভবিষ্যৎ ও জীবনকে বদলে দেয়।”

তিনি এই জন্মগত ত্রুটি সম্পর্কে গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং সঠিক সময়ে (সাধারণত শিশুর ৩ থেকে ৬ মাস বয়সে) অস্ত্রোপচার নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন সমন্বিত উদ্যোগের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উপজেলা হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত ও ডিজিটালাইজেশন

বিনামূল্যে এই বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের মেগা পরিকল্পনার কথা জানান।

🏥 স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নে সরকারের নতুন পদক্ষেপসমূহ:
• উপজেলা লেভেলে শয্যা বৃদ্ধি: দেশের সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দ্রুত ১০১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু করেছে সরকার।
• বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষ সেবা: ঢাকা ছাড়াও প্রতিটি বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
• হাসপাতালের ডিজিটালাইজেশন: কাগজমুক্ত ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সকল সরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক ও চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে উপদেষ্টা মহোদয় সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ‘কল সেন্টার’-এর আনুষ্ঠানিক ফলক উন্মোচন করেন। এর মাধ্যমে এখন থেকে সাধারণ মানুষ ও প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা ঘরে বসেই হাসপাতালের সিরিয়াল বুকিং ও চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন।

উক্ত মহতি অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিবদ্বয়সহ হাসপাতালের পরিচালক ও দুই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন চিকিৎসা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency