দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উদাসীনতায় পিছিয়ে রোইং: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্ভাবনা জাগাতে নতুন উদ্যোগ
বিগত সরকারগুলোর দীর্ঘদিনের চরম উদাসীনতা, নীতিগত অবহেলা ও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে স্বাধীনতা-উত্তর ৫৪ বছরেও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের রোইং। গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত 'বাংলাদেশ রোইং ২০২৬ ট্রেনিং অ্যান্ড সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম'-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে দেশের ক্রীড়া সংগঠক ও রোইং ফেডারেশনের নেতারা এই আক্ষেপ প্রকাশ করেন। হাজার বছরের নদীকেন্দ্রিক ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক সরঞ্জাম এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঐতিহ্যবাহী এই খেলাটি এতদিন মুখ থুবড়ে পড়েছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাফল্য না পাওয়ার প্রধান কারণ ও দীর্ঘদিনের অবহেলা
অলিম্পিকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এবং ১৫টি স্বর্ণপদকের এই ইভেন্টটিতে বাংলাদেশের মেধা থাকলেও পরিকাঠামো উন্নয়নে রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছার ঘাটতি ছিল প্রকট।
অবকাঠামো ও সরঞ্জামের সংকট: আন্তর্জাতিক মানের বোট বা আধুনিক রোইং সরঞ্জামের তীব্র অভাব এবং পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ তৈরি না করা।
পরিকল্পনাহীন ব্যবস্থাপনা: বিগত বছরগুলোতে ফেডারেশনের সঠিক দিকনির্দেশনা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অভাব।
আর্থিক অনুদানের অভাব: জাতীয় বাজেট ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে রোইংয়ের মতো অপার সম্ভাবনাময় খেলাটির জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না দেওয়া।
এক নজরে বাংলাদেশ রোইংয়ের বর্তমান চিত্র ও সম্ভাবনা
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার বছর | ১৯৭৪ সাল |
| সমস্যার মূল কারণ | বিগত সরকারগুলোর উদাসীনতা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা |
| অলিম্পিকে রোইংয়ের গুরুত্ব | অন্যতম প্রধান ডিসিপ্লিন (১৫টি স্বর্ণপদক) |
| সাম্প্রতিক পদক্ষেপ | ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২০০+ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদান |
| সংবাদের তারিখ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
নতুন পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য
বর্তমান ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ও নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশজুড়ে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে রোইং ছড়িয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |