| বঙ্গাব্দ

‘মহানবী (সা.)-এর চরিত্রই ছিল পবিত্র কুরআনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি’: বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-09-2026 ইং
  • 60701 বার পঠিত
‘মহানবী (সা.)-এর চরিত্রই ছিল পবিত্র কুরআনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি’: বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান
ছবির ক্যাপশন: ‘মহানবী (সা.)-এর চরিত্রই ছিল পবিত্র কুরআনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি’

‘মহানবী (সা.)-এর চরিত্রই ছিল পবিত্র কুরআনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি’: বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চরিত্র, আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ছিল পবিত্র কুরআনের অনুশাসনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ও জীবন্ত রূপ প্রকাশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে পেশ ইমাম তাঁর খুতবাপূর্ব বয়ানে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। মূলত মানবজাতিকে রাসূল (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানানো এবং মহানবীর জীবনের নৈতিক মূল্যবোধ ফুটিয়ে তুলতেই এ বয়ান পেশ করা হয়।

সংবাদের মূল কিছু পয়েন্ট

  • মূল বিষয়বস্তু: মহানবী (সা.)-এর পবিত্র চরিত্র ও জীবন ছিল কুরআনের ব্যবহারিক প্রয়োগ।

  • স্থান ও সময়: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম, ঢাকা; শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।

  • বক্তা: বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম।

  • প্রধান বার্তা: ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে রাসুলের সুন্নাহ ও নৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান।

কুরআনের শিক্ষা ও রাসুলের সুন্নাহর প্রতিফলন

খুতবাপূর্ব বয়ানে পেশ ইমাম বলেন, হজরত আয়েশা (রা.)-কে যখন রাসুল (সা.)-এর চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন—‘তাঁর চরিত্র ছিল আল-কুরআন’। অর্থাৎ পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা যেসমস্ত আদেশ, নিষেধ ও নীতি নির্দেশ করেছেন, রাসুল (সা.) তাঁর পূর্ণাঙ্গ জীবনে তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাসুল (সা.) ছিলেন ক্ষমা, ধৈর্য, সততা, দয়া ও প্রগতির শ্রেষ্ঠ প্রতীক। কোনো বৈষম্য ছাড়াই মানুষের সেবা করা এবং সত্যের ওপর অবিচল থাকার যে বার্তা আল-কুরআনে এসেছে, তা মহানবীর জীবনে পূর্ণভাবে দৃশ্যমান ছিল।

দৈনন্দিন জীবনে সুন্নাহ অনুসরণের আহ্বান

ইমাম সাহেব বর্তমান যুগে সামাজিক অবক্ষয় ও নৈতিক সংকট দূরীকরণে মহানবী (সা.)-এর নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিশদভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাসুল (সা.)-এর চরিত্রকে প্রতিটি মানুষের জীবনে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

পরিবার পরিচালনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পারস্পরিক লেনদেনে সততা বজায় রাখা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। সর্বক্ষেত্রে রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ এবং কুরআনি নীতি অনুসরণের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখেরাতে সাফল্য অর্জন সম্ভব বলে খুতবাপূর্ব আলোচনায় ব্যক্ত করা হয়।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency