প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমার প্রতিটি মুহূর্তই রহমত ও বরকতে পরিপূর্ণ। তবে এই বরকতময় দিনের বিশেষ একটি বৈশিষ্ট্য হলো—এর ভেতরে এমন কিছু সময় বা মুহূর্ত লুকিয়ে আছে, যখন বান্দা আল্লাহর দরবারে যা চায়, তা-ই কবুল করা হয়। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জুমার দিন এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো মুসলিম বান্দা যদি এ সময় নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে কিছু চায়, তাহলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন।’ (বুখারি ৯৩৫)
ইসলামি স্কলার ও সাহাবায়ে কেরামের মতামত এবং হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দোয়া কবুলের এই মহামূল্যবান সময়টি হলো আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে বারোটি মুহূর্ত রয়েছে এবং এর মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত আছে যখন দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। ওই মুহূর্তটিকে আসরের পর দিনের শেষ সময়ে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে (নাসাঈ ১৩৮৯)।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে আসরের পর তো নফল নামাজ নিষিদ্ধ, তাহলে এই সময়ে কীভাবে দোয়া করা যায়? এ প্রসঙ্গে হজরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.)-এর এক প্রশ্নের জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, মুমিন বান্দা যখন জুমার নামাজ বা আসর শেষে পরবর্তী নামাজের অপেক্ষায় বসে থাকে এবং কেবল নামাজের অপেক্ষাই তাকে আটকে রাখে, তখন সে সালাতরত বা নামাজের অবস্থাতেই গণ্য হয় (ইবনে মাজাহ ১১৩৯)। তাই জুমার দিন আসরের পর বেশি বেশি ইবাদত ও দোয়ায় মশগুল থাকা উচিত।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |