ভাষাগত কৌশল ও প্যাসিভ বাক্যের ব্যবহার
আন্তর্জাতিক সংবাদ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গাজায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর খবর প্রচারের সময় পশ্চিমা মাধ্যমগুলোতে 'প্যাসিভ ভয়েস' বা নিষ্ক্রিয় বাক্য ব্যবহারের প্রবণতা অনেক বেশি।
প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, কোনো বিমান হামলায় বেসামরিক বা শিশু নিহত হলে তা 'ইসরায়েলি হামলায় নিহত' না লিখে 'বিস্ফোরণে মারা গেছে' বা 'সংঘাতে প্রাণহানি ঘটেছে' হিসেবে বর্ণনা করা হয়। এর ফলে সরাসরি আক্রমণকারী বাহিনীর নাম আড়াল হয়ে যায় এবং অপরাধের দায় অস্পষ্ট থেকে যায়।
পশ্চিমা মিডিয়ার রিপোর্টিংয়ে যেসব প্রধান ত্রুটি চিহ্নিত
গাজা সংঘাত কভারেজে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও স্বাধীন গবেষকদের তুলে ধরা প্রধান পক্ষপাতের দিকগুলো হলো:
আক্রমণকারীর পরিচয় অস্পষ্ট রাখা: ফিলিস্তিনি নাগরিকদের হতাহতের ঘটনায় কার সামরিক অভিযানে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা স্পষ্ট করে না বলা।
শব্দচয়নে দ্বিমুখী নীতি: ইসরায়েলি নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির বর্ণনায় অত্যন্ত সহানুভূতিশীল শব্দ ব্যবহার করলেও ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুকে কেবল নিছক সংখ্যা হিসেবে উপস্থাপন।
তথ্যের উৎস যাচাইয়ে বৈষম্য: ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) দাবিকৃত যেকোনো তথ্যকে সরাসরি সত্য হিসেবে তুলে ধরা হলেও স্থানীয় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও হাসপাতালের দেওয়া তথ্যকে বারবার 'অযাচাইকৃত' বলে উল্লেখ করা।
এক নজরে গাজা সংঘাত ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কভারেজ
| বিষয় | বিবরণ |
| আলোচনার বিষয় | গাজায় বেসামরিক প্রাণহানি প্রচারে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা |
| প্রধান অভিযোগ | ভাষাগত অস্পষ্টতা, প্যাসিভ সেন্টেন্সের ব্যবহার ও একপেশে উপস্থাপন |
| উৎস | আন্তর্জাতিক মিডিয়া ওয়াচডগ, স্বাধীন সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠন |
| প্রভাব | বৈশ্বিক জনমতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মান ক্ষুণ্ন |
সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ
মানবাধিকার কর্মী ও প্রবীণ সাংবাদিকদের মতে, সংঘাতপূর্ণ এলাকায় সংবাদ পরিবেশনের সময় নিরপেক্ষতা এবং নির্ভুলতা বজায় রাখা সাংবা
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |