ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ও সংকটময় উদ্ধার অভিযান
টানা বৃষ্টির কারণে নেপালের প্রধান প্রধান নদীগুলোর বাঁধ উপচে গিয়ে সড়ক ও সেতু ভাসিয়ে নিয়ে গেছে, ফলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।
ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ও পাহাড়ি ঢলে ভেসে যাওয়া বহু মানুষ এখনো নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জরুরি ভিত্তিতে পরিচালিত উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেপাল সরকার পুরো দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে একযোগে উদ্ধারকাজে নামিয়েছে:
আকাশপথে উদ্ধার: দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া পাহাড়ি এলাকাগুলোতে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে বিশেষ সামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র: বাস্তুচ্যুত ও ঘরবাড়ি হারানো হাজার হাজার উদ্ধার পাওয়া মানুষের জন্য সাময়িক আশ্রয়শিবির স্থাপন ও শুকনো খাবার বিতরণ চলছে।
যোগাযোগ পুনর্বাসন: ভেঙে পড়া যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দ্রুত চালু করতে প্রকৌশলী দল দিনরাত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এক নজরে নেপালের বন্যা পরিস্থিতি
| বিষয় | বিবরণ |
| মূল দুর্যোগ | অতিবৃষ্টিজনিত প্রলয়ংকারী বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধস |
| নিহতের সংখ্যা | ১৩৪১ জন (ক্রমবর্ধমান) |
| সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা | কাঠমান্ডু উপত্যকা, মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাসমূহ |
| উদ্ধারকারী সংস্থা | নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক |
আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন
নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাসমূহের কাছে জরুরি ওষুধ, পানীয় জল ও ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর আকুল আহ্বান জানানো হয়েছে। চরম বন্যাদুর্গত এলাকায় মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |