জাতীয় ও আঞ্চলিক উন্নয়ন ডেস্ক
২ আগস্ট, ২০২৬
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর দীর্ঘদিনের লো-ভোল্টেজ ও ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূর করতে সরাসরি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
এ লক্ষ্য অর্জনে বারহাট্টা উপজেলায় ১৩২/৩৩ কেভি (২×৮০/১২০ এমভিএ) একটি নতুন গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আনুষ্ঠানিক নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
উদ্যোগের বিষয়: বারহাট্টা উপজেলায় ১৩২/৩৩ কেভি, ২×৮০/১২০ এমভিএ গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপন।
উদ্যোক্তা: জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বিদ্যমান সমস্যা: জেলার প্রায় ২৩ লাখ ৫৯ হাজার মানুষ একমাত্র ‘নেত্রকোনা ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের’ ওপর নির্ভরশীল।
সুবিধা ভোগকারী: বারহাট্টা, কলমাকান্দা, দুর্গাপুর এবং ময়মনসিংহ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষি, ব্যবসা ও সাধারণ জনগণ।
বর্তমানে নেত্রকোনা জেলা এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের কতিপয় এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের একক উৎস হিসেবে কাজ করছে জেলা সদরের ১৩২/৩৩ কেভি উপকেন্দ্রটি।
নেত্রকোনার বর্তমান বিদ্যুৎ অবকাঠামোগত চিত্র:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • মোট নির্ভরশীল জনসংখ্যা: প্রায় ২৩ লাখ ৫৯ হাজার। │
│ • বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থা : নেত্রকোনা সদর ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড (অতিরিক্ত চাপযুক্ত)। │
│ • উদ্ভূত প্রধান সমস্যা : ধারাবাহিক লো-ভোল্টেজ ও নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট। │
│ • সমাধান পরিকল্পনা : বারহাট্টায় নতুন ২×৮০/১২০ এমভিএ গ্রিড নির্মাণ। │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার প্রেরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়, দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে নতুন গ্রিড উপকেন্দ্রটি নির্মিত হলে পুরো এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত সম্ভব হবে।
এর ফলে স্থানীয় সেচভিত্তিক কৃষি অবকাঠামো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বারহাট্টা ও আশেপাশের সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |