আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও সামরিক নীতি সংক্রান্ত ডেস্ক
২৭ জুলাই, ২০২৬
ইরানের সাথে সাম্প্রতিক রক্তক্ষয়ী সংঘাত পুনরায় শুরুর পর চারজন মার্কিন সেনার প্রাণহানি ও শতাধিক সদস্য আহত হওয়ার তথ্য মূল সামরিক যুদ্ধ তালিকা থেকে সরিয়ে নেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তালিকা থেকে চার সেনার নাম অপসারণ: সাম্প্রতিক উত্তেজনায় জর্ডান ও ইরাকে নিহত ৪ জন মার্কিন সেনাকে সংঘাতের প্রধান তালিকা থেকে সরিয়ে ‘বিদেশি অভিযান’ বিভাগে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন ও ব্রিফিং বন্ধ: মে মাসের শুরু থেকে পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করা থেকে বিরত রয়েছে এবং সেন্টকম (CENTCOM) হতাহতের দৈনন্দিন আপডেট দেওয়া বন্ধ রেখেছে।
পেন্টাগনের দাবি: প্রতিরক্ষা মুখপাত্র জোয়েল ভালদেজ এবং ডিনাল পিস-এর দাবি, সিস্টেমে কারিগরি অসঙ্গতি ও ডাটা আপডেট সমস্যার কারণেই এটি সাময়িকভাবে হয়েছে।
ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট ও আইনি বাধ্যবাধকতা: বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৬৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট’ ভঙ্গ এড়াতে ও কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে না দেখাতেই প্রশাসন আলাদা যুদ্ধের বিভাগ দেখাচ্ছে।
মে মাসে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর ৭ জুলাই থেকে মার্কিন সামরিক বিমান হামলা ও সংঘাত নতুন করে শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোতে ৪ জন সেনাসদস্য মারা যান এবং বিপুল সংখ্যক আহত হন।
মার্কিন সেনাবাহিনীর হতাহতের ডাটা বিশ্লেষণ:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • অপারেশন এপিক ফিউরি (মূল যুদ্ধ তালিকা) : ১৪ জন নিহত | ৪১৭ জন আহত │
│ • ওভারসিজ অপারেশন্স (নতুন বিভাগ) : ৪ জন নিহত | ২০৭ জন আহত │
├─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┤
│ • মোট নিশ্চিত হতাহতের সংখ্যা : ১৮ জন নিহত | ৬২৪ জন আহত │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘
এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য থমাস ম্যাসি অভিযোগ করে বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন মূলত জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ও কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার আইনি ফাঁকফোকর তৈরি করতে এই কৌশল নিচ্ছে। তারা এমন এক ভান করছে যেন এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি যুদ্ধ।"
সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) এবং পেন্টাগন টানা কয়েক মাস ধরে যুদ্ধের হতাহত সংক্রান্ত কোনো লাইভ বা পূর্ণাঙ্গ বুলেটিন সাংবাদিকদের সরবরাহ করেনি। এর বিপরীত মেরুতে তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের সামরিক হামলায় গত ১৫ দিনে অন্তত ২০০ জন মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ মার্কিন রাজনীতি ও সামরিক তথ্যের স্বচ্ছতা │
├─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┤
│ • মার্কিন নির্বাচনের রাজনীতি: অভ্যন্তরীণ ভোটব্যাঙ্কে সেনাসদস্যদের হতাহতের │
│ সংখ্যার নীতিগত প্রভাব রুখতে প্রশাসন তথ্য প্রকাশে সতর্কতা অবলম্বন করছে। │
│ • আন্তর্জাতিক চাপ: জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন সংঘাতের│
│ প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে ডাটা ক্যাটাগরি তৈরি করার প্রবণতা বাড়ছে। │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘
ডোভার এয়ারফোর্স বেসে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই নিহত সেনাসদস্যদের মৃতদেহ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত থাকলেও সরকারি অনলাইন ডাটাবেজে তাঁদের সরাসরি যুদ্ধের শহীদ হিসেবে জায়গা না দেওয়াকে সেনাপরিবারগুলোর জন্য চরম অবমাননাকর বলে মনে করছেন অনেক সাবেক ও বর্তমান সামরিক কর্মকর্তা।
মার্কিন আইন অনুসারে প্রেসিডেন্ট ৬০ দিনের বেশি কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া যুদ্ধ চালাতে পারেন না।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |